দেশের কোথায় কোন পাম্পে তেল পাওয়া যাবে জানাবে অ্যাপ

বিশ্বজুড়ে ইরান, ইসরায়েল এবং আমেরিকাকে ঘিরে তেল যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ চলছে। তার প্রভাব পড়েছে আমাদের দেশেও। তেলের সরবরাহ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় অনেক জায়গায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, তর্ক-বিতর্ক এমনকি সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে তেলের ঘাটতির আশঙ্কা নেই, তবুও ‘প্যানিক বায়িং’-এর কারণে পাম্পগুলোতে প্রায়ই তৈরি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। অনেক চালক আবার এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাচ্ছেন না। এই ভোগান্তি কমাতে এক তরুণ তৈরি করেছেন একটি অভিনব সমাধান ‘তেল কই’ নামে একটি অ্যাপ। এই অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই জানা যাবে কোন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে এবং সেখানে কতটা ভিড় রয়েছে। এই উদ্যোগের পেছনে আছেন তরুণ প্রযুক্তিবিদ সজিব খান। পাঠাও লিমিটেডে ডেটা অ্যানালাইটিকস ও এআই অটোমেশন প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করছেন এবং পড়াশোনা করেছেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার তৈরি এই ওয়েবভিত্তিক অ্যাপ কম্পিউটার, ট্যাবলেট কিংবা স্মার্টফোন সব ডিভাইস থেকেই ব্যবহার করা যায়। অ্যাপটির মূল সুবিধা হলো রিয়েল-টাইম তথ্য। ব্যবহারকারীরা নিজেরাও তথ্য যুক্ত করতে পারেন, ফলে দ্রুত জানা যায় কোন পাম্পে তে

দেশের কোথায় কোন পাম্পে তেল পাওয়া যাবে জানাবে অ্যাপ

বিশ্বজুড়ে ইরান, ইসরায়েল এবং আমেরিকাকে ঘিরে তেল যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ চলছে। তার প্রভাব পড়েছে আমাদের দেশেও। তেলের সরবরাহ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় অনেক জায়গায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, তর্ক-বিতর্ক এমনকি সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে তেলের ঘাটতির আশঙ্কা নেই, তবুও ‘প্যানিক বায়িং’-এর কারণে পাম্পগুলোতে প্রায়ই তৈরি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। অনেক চালক আবার এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাচ্ছেন না।

এই ভোগান্তি কমাতে এক তরুণ তৈরি করেছেন একটি অভিনব সমাধান ‘তেল কই’ নামে একটি অ্যাপ। এই অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই জানা যাবে কোন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে এবং সেখানে কতটা ভিড় রয়েছে।

এই উদ্যোগের পেছনে আছেন তরুণ প্রযুক্তিবিদ সজিব খান। পাঠাও লিমিটেডে ডেটা অ্যানালাইটিকস ও এআই অটোমেশন প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করছেন এবং পড়াশোনা করেছেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার তৈরি এই ওয়েবভিত্তিক অ্যাপ কম্পিউটার, ট্যাবলেট কিংবা স্মার্টফোন সব ডিভাইস থেকেই ব্যবহার করা যায়।

অ্যাপটির মূল সুবিধা হলো রিয়েল-টাইম তথ্য। ব্যবহারকারীরা নিজেরাও তথ্য যুক্ত করতে পারেন, ফলে দ্রুত জানা যায় কোন পাম্পে তেল রয়েছে, কোথায় লাইন বেশি বা কোথাও জ্বালানি শেষ হয়ে গেছে কি না, দাম কত। এরই মধ্যে প্রায় ২৮৭টি পেট্রোল স্টেশনের তথ্য এখানে যুক্ত হয়েছে, যা তেল নিতে যাওয়া চালকদের জন্য বড় সহায়তা হয়ে উঠতে পারে।

প্রযুক্তির এই উদ্ভাবনী ব্যবহার দেখিয়ে দিয়েছে যে সঠিক সময়ে একটি ছোট আইডিয়াও বড় সমস্যার সমাধান দিতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে তরুণ প্রজন্মের প্রযুক্তি উদ্যোগের এমন উদাহরণ আরও দেখা গেছে। কোথাও চাঁদাবাজির ঘটনা সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করতে তৈরি হয়েছে ‘চান্দাওয়াচ’ অ্যাপ। আবার রমজান মাসে কোথায় কোন মসজিদে ইফতার বা বিরিয়ানি বিতরণ হবে সেটি জানাতেও এক তরুণ তৈরি করেছেন ‘বিরিয়ানি দিবে’ অ্যাপ।

জেন-জি প্রজন্মকে নিয়ে প্রায়ই নানা সমালোচনা শোনা যায়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সুযোগ পেলে এই প্রজন্ম প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাজের বাস্তব সমস্যারও সমাধান খুঁজে বের করতে পারে। ‘তেল কই’-এর মতো উদ্যোগ সেই সম্ভাবনারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

আরও পড়ুন
পছন্দমতো অ্যাপ বানাতে পারবেন নিজেই
সারাক্ষণ চার্জার প্লাগে লাগিয়ে রাখলে কি বিদ্যুৎ বিল বাড়ে?

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow