ভোট কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে আরও ৫ প্রার্থীর মামলা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আরও ৫ প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির ৪ জন এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) ১ প্রার্থী রয়েছেন। সোমবার (৯ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, নতুন করে মামলা করা বিএনপির ৪ প্রার্থী হলেন— কুমিল্লা-১১ আসনের মো. কামরুল হুদা, ময়মনসিংহ-২ আসনের মোতাহার হোসেন তালুকদার, চাঁদপুর-৪ আসনের মো. হারুনুর রশীদ এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের এম আকবর আলী। এছাড়া চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুকও কারচুপির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২০ জনেরও বেশি প্রার্থী নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেন। এসব আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জামাদি সযত্নে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ পর্যন্ত বিএনপির ১০টি, জামায়াতের ৭টি এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় নথি হেফাজতে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন নির্বাচনী বেঞ্চ। গণ

ভোট কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে আরও ৫ প্রার্থীর মামলা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আরও ৫ প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির ৪ জন এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) ১ প্রার্থী রয়েছেন। সোমবার (৯ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, নতুন করে মামলা করা বিএনপির ৪ প্রার্থী হলেন— কুমিল্লা-১১ আসনের মো. কামরুল হুদা, ময়মনসিংহ-২ আসনের মোতাহার হোসেন তালুকদার, চাঁদপুর-৪ আসনের মো. হারুনুর রশীদ এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের এম আকবর আলী। এছাড়া চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুকও কারচুপির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২০ জনেরও বেশি প্রার্থী নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেন। এসব আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জামাদি সযত্নে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ পর্যন্ত বিএনপির ১০টি, জামায়াতের ৭টি এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় নথি হেফাজতে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন নির্বাচনী বেঞ্চ। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে যে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কারচুপির বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে প্রার্থীরা হাইকোর্ট বিভাগে 'নির্বাচনী আবেদন' করতে পারেন। সেই অনুযায়ী বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত একক বেঞ্চে এসব আবেদনের শুনানি চলছে। হাইকোর্টের কার্যতালিকায় দেখা যায়, ২০০১ সালের সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (১৯৭২) মোতাবেক এই বেঞ্চ নির্বাচনী আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow