ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া কন্যাকে শালিস থেকে অপহরণ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রামনগর টেওরারচালা গ্রামে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া এক মেয়েকে শালিসের মাঝখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিনের পুত্র ইয়াছিন মিয়া (২২) কে অভিযুক্ত করে মেয়েটির মা বাদী হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রমতে,অভিযুক্ত ইয়াছিন গত ৭ মাস পূর্ব হইতে ওই মেয়েটিকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষন করেন। হঠাৎ মেয়েটির শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের লোকজন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানতে পারেন মেয়েটি ২২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। পরে মেয়েটি পরিবারকে জানান, সে অভিযুক্ত ইয়াছিন মিয়ার ধর্ষণেই অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন। এমন খবরে গ্রাম জুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হলে গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে অভিযুক্ত পরিবার স্থানীয় জয়নাল মেম্বারের নেতৃত্বে শালিস ডাকেন। শালিস চলাকালেই ওই অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অভিযুক্তরা অপহরন করে নিয়ে যায় বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবার ও স্বজনদের। ভুক্তভোগী পরিবার মেয়েটির সন্ধানসহ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অপরদিকে ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্ত

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া কন্যাকে শালিস থেকে অপহরণ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রামনগর টেওরারচালা গ্রামে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া এক মেয়েকে শালিসের মাঝখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিনের পুত্র ইয়াছিন মিয়া (২২) কে অভিযুক্ত করে মেয়েটির মা বাদী হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রমতে,অভিযুক্ত ইয়াছিন গত ৭ মাস পূর্ব হইতে ওই মেয়েটিকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষন করেন। হঠাৎ মেয়েটির শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের লোকজন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানতে পারেন মেয়েটি ২২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। পরে মেয়েটি পরিবারকে জানান, সে অভিযুক্ত ইয়াছিন মিয়ার ধর্ষণেই অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন।

এমন খবরে গ্রাম জুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হলে গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে অভিযুক্ত পরিবার স্থানীয় জয়নাল মেম্বারের নেতৃত্বে শালিস ডাকেন। শালিস চলাকালেই ওই অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অভিযুক্তরা অপহরন করে নিয়ে যায় বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবার ও স্বজনদের। ভুক্তভোগী পরিবার মেয়েটির সন্ধানসহ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অপরদিকে ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় শালিসে নেতৃত্বদানকারি মেম্বার ও অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া থানার ওসি রাশেদুল হাসান মেয়ে ও ছেলেকে উদ্ধারে অনুসন্ধান অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow