ধর্ষণে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী, বাবা গ্রেফতার

নেত্রকোনার পূর্বধলায় নিজের ১৫ বছর বয়সি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (১৩ মে) বিকেলে উপজেলার খলিশাউড় ইউনিয়নের ঘরুয়াকান্দা এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী আগে ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজ করত। পাঁচ মাস আগে সে ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরে আসে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে সে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে বাস করতো। বাড়িতে আসার কয়েক দিন পর থেকেই বাবার ধর্ষণের শিকার হয় ওই কিশোরী। প্রায় দুই মাস আগে ওই কিশোরী ময়মনসিংহে এক নারী চিকিৎসকের বাসায় কাজে যোগ দেয়। সেখানে এক মাস কাজ করার পর কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে ওই চিকিৎসকের সন্দেহ হয়। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কিশোরীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। একপর্যায়ে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে অভিযুক্ত বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশনায় এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নামে। বুধবার বিকেলে

ধর্ষণে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী, বাবা গ্রেফতার

নেত্রকোনার পূর্বধলায় নিজের ১৫ বছর বয়সি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১৩ মে) বিকেলে উপজেলার খলিশাউড় ইউনিয়নের ঘরুয়াকান্দা এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী আগে ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজ করত। পাঁচ মাস আগে সে ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরে আসে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে সে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে বাস করতো। বাড়িতে আসার কয়েক দিন পর থেকেই বাবার ধর্ষণের শিকার হয় ওই কিশোরী।

প্রায় দুই মাস আগে ওই কিশোরী ময়মনসিংহে এক নারী চিকিৎসকের বাসায় কাজে যোগ দেয়। সেখানে এক মাস কাজ করার পর কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে ওই চিকিৎসকের সন্দেহ হয়। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কিশোরীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। একপর্যায়ে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে অভিযুক্ত বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশনায় এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নামে। বুধবার বিকেলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে পদক্ষেপ নেয়। সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীকে থানায় এনে তার জবানবন্দি নেওয়া হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান চালানো হয়।

তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী কিশোরী নিজেই বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে নিয়মিত মামলা নেওয়া হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিকেলে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

ওসি আরও বলেন, ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষাসহ অন্যান্য আইনি কার্যক্রম চলমান। গ্রেফতার আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

এইচ এম কামাল/এমআরএম/এফএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow