ধর্ষণ ও মানবপাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ‘টেট ব্রাদার্স’

সামাজিকমাধ্যমে আলোচিত ব্রিটিশ-আমেরিকান ইনফ্লুয়েন্সার অ্যান্ড্রু টেট ও তার ভাই ট্রিস্টান টেটকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ধর্ষণ, যৌন পাচারসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। রোববার (১৯ জুন) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সিলগালা করা একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান দুজনই যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দ্বৈত নাগরিক। যুক্তরাজ্যের ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপিএস) জানিয়েছে, অ্যান্ড্রু টেটের বিরুদ্ধে সাতটি ধর্ষণ, ৩টি যৌন পাচার, ৩টি হামলা এবং শিশুদের অশালীন ছবি ও চরম পর্নোগ্রাফিসংক্রান্ত অপরাধে আরও ১৯টি অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, ট্রিস্টান টেটের বিরুদ্ধে একটি যৌন নিপীড়ন, দুটি ধর্ষণ এবং মানবপাচারে সহায়তা করার তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগেই তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ধর্ষণ, মানবপাচার ও শারীরিক নির্যাতনসহ মোট ২১টি অভিযোগে বিচার চলছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব ঘটনা ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের আগস্টের মধ্যে ঘটেছিল। অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান আইনজীবী জোসেফ ম্যাকব্রাইড বার্তাসংস্

ধর্ষণ ও মানবপাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ‘টেট ব্রাদার্স’

সামাজিকমাধ্যমে আলোচিত ব্রিটিশ-আমেরিকান ইনফ্লুয়েন্সার অ্যান্ড্রু টেট ও তার ভাই ট্রিস্টান টেটকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ধর্ষণ, যৌন পাচারসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুন) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সিলগালা করা একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান দুজনই যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দ্বৈত নাগরিক।

যুক্তরাজ্যের ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপিএস) জানিয়েছে, অ্যান্ড্রু টেটের বিরুদ্ধে সাতটি ধর্ষণ, ৩টি যৌন পাচার, ৩টি হামলা এবং শিশুদের অশালীন ছবি ও চরম পর্নোগ্রাফিসংক্রান্ত অপরাধে আরও ১৯টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রিস্টান টেটের বিরুদ্ধে একটি যৌন নিপীড়ন, দুটি ধর্ষণ এবং মানবপাচারে সহায়তা করার তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগেই তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ধর্ষণ, মানবপাচার ও শারীরিক নির্যাতনসহ মোট ২১টি অভিযোগে বিচার চলছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব ঘটনা ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের আগস্টের মধ্যে ঘটেছিল।

অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান আইনজীবী জোসেফ ম্যাকব্রাইড বার্তাসংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, তার বিশ্বাস, তার মক্কেলরা শেষ পর্যন্ত মুক্তি পাবেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত, একজন যোগ্য বিচারক যখন প্রকৃত তথ্য দেখবেন তখন অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান টেট মুক্তি পাবেন।’

২০২২ সালে রোমানিয়ায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর দেশটি ছেড়ে পালিয়ে যান অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান। রোমানিয়াতেও তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও মানবপাচারের মামলার অভিযোগে বিচার চলছে।

বিলাসবহুল জীবনযাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া অ্যান্ড্রু ও ট্রিস্টান নারীবিদ্বেষী ও বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচিত। তবে বিতর্ক সত্ত্বেও, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে, তাদের বিপুলসংখ্যক অনুসারী রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow