‘ধান পাইনে নিচে গি আমরা খাইতাম কিলা?’
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার প্রধান ফসলি মাঠ নলুয়া হাওরে অকাল বন্যায় তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন। বছরের একমাত্র ফসল বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এখন হাজার হাজার কৃষক পরিবারের চোখে অন্ধকার। ঘরে খাবার নেই, এনজিওর কিস্তি আর মহাজনী ঋণের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাওরপাড়ের মানুষ। সরেজমিনে হাওর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কৃষকদের বুকফাটা হাহাকার। অনেক কৃষক আধাপাকা ধান কাটার চেষ্টা করলেও পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় তা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। স্থানীয় এক কৃষক কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘নলুয়া হাওরে সব ধান পানির তলে গেছেগি। আমরা তো সারা বছর এই ধানের ওপর ভরসা করি চলি। অখন যদি ধান পাইনে নিচে গি, তবে আমরা খাইতাম কিলা? আমরার পরিবার লইয়া না খাইয়া মরা ছাড়া উপায় নাই।’ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা কৃষকদের কণ্ঠে একই সুর। তারা জানান, হাওরের বাঁধ ভেঙে বা উপচে পানি ঢোকায় মুহূর্তের মধ্যেই বিঘার পর বিঘা জমির ফসল তলিয়ে গেছে। শ্রমিকের অভাব আর প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অনেক কৃষক সময়মতো ধান কাটতে পারেননি। স্থানীয় সচেতন মহল ও জনপ্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সহায়তা ও বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার প্রধান ফসলি মাঠ নলুয়া হাওরে অকাল বন্যায় তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন। বছরের একমাত্র ফসল বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এখন হাজার হাজার কৃষক পরিবারের চোখে অন্ধকার।
ঘরে খাবার নেই, এনজিওর কিস্তি আর মহাজনী ঋণের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাওরপাড়ের মানুষ।
সরেজমিনে হাওর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কৃষকদের বুকফাটা হাহাকার। অনেক কৃষক আধাপাকা ধান কাটার চেষ্টা করলেও পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় তা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় এক কৃষক কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘নলুয়া হাওরে সব ধান পানির তলে গেছেগি। আমরা তো সারা বছর এই ধানের ওপর ভরসা করি চলি। অখন যদি ধান পাইনে নিচে গি, তবে আমরা খাইতাম কিলা? আমরার পরিবার লইয়া না খাইয়া মরা ছাড়া উপায় নাই।’
উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা কৃষকদের কণ্ঠে একই সুর। তারা জানান, হাওরের বাঁধ ভেঙে বা উপচে পানি ঢোকায় মুহূর্তের মধ্যেই বিঘার পর বিঘা জমির ফসল তলিয়ে গেছে। শ্রমিকের অভাব আর প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অনেক কৃষক সময়মতো ধান কাটতে পারেননি।
স্থানীয় সচেতন মহল ও জনপ্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সহায়তা ও বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিরূপণ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
What's Your Reaction?