নওগাঁয় চার খুন: পাশাপাশি দাফন হলো বাবা-মা-ছেলে-মেয়ে

নওগাঁর নিয়ামতপুরে গলা কেটে হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের চার সদস্যের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে পাশাপাশি কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। এর আগে একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। জানাজায় অংশ নিতে বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা, স্বজন এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হন। বাদ আসর জানাজা শেষে মরদেহগুলো দাফন করা হয়। এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন, হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি সুলতানা, তাদের ছেলে পারভেজ রহমান (৯) ও মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)। তারা সবাই বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই ঘটনায় নিহতদের তিন স্বজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন- হাবিবুরের ভগ্নিপতি শহিদুল ইসলাম এবং ভাগনে শাহিন ও সবুজ। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম

নওগাঁয় চার খুন: পাশাপাশি দাফন হলো বাবা-মা-ছেলে-মেয়ে

নওগাঁর নিয়ামতপুরে গলা কেটে হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের চার সদস্যের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে পাশাপাশি কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।

এর আগে একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো গ্রামের বাড়িতে আনা হয়।

জানাজায় অংশ নিতে বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা, স্বজন এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হন। বাদ আসর জানাজা শেষে মরদেহগুলো দাফন করা হয়।

এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহতরা হলেন, হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি সুলতানা, তাদের ছেলে পারভেজ রহমান (৯) ও মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)। তারা সবাই বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

এই ঘটনায় নিহতদের তিন স্বজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন- হাবিবুরের ভগ্নিপতি শহিদুল ইসলাম এবং ভাগনে শাহিন ও সবুজ। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম তার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নিহত হাবিবুর রহমান ছিলেন নমির উদ্দিনের একমাত্র ছেলে। সম্প্রতি নমির উদ্দিন তার ১৭ বিঘা সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে বণ্টন করেন। এর মধ্যে বসতবাড়িসহ ১৩ বিঘা জমি ছেলে হাবিবুর রহমানকে দেওয়া হয় এবং বাকি অংশ মেয়েরা পান। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বাদী হয়ে নিয়ামতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হলেও গ্রেফতার তিনজনকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

আরমান হোসেন রুমন/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow