নদীর চরে পড়ে ছিল জেলের মরদেহ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নদীর চর থেকে ভদ্র শিকদার নামে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। রোববার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ধানখালী ইউপির লোন্দা গ্রামের টিয়াখালী নদীর চর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ভদ্র শিকদার ওই ইউপির লোন্দা গ্রামের ইউসুফ আলী শিকদারের ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানায়, ভদ্র শিকদার পেশায় একজন জেলে এবং তিনি অধিকাংশ সময়ই নদীর চরে থাকতেন। দুদিন আগেও ঝড়ো বৃষ্টির মধ্যে মাছ শিকার করেছেন। তবে খুবই সাহসী স্বভাবের এই জেলে বাড়িতে থাকতেন না। পায়রা বন্দর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ নয়ন কারকুন কালবেলাকে বলেন, সকালে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত তিনদিন আগে মারা গেছে। মরদেহের পচন ধরেছে। আমরা সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নদীর চর থেকে ভদ্র শিকদার নামে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। রোববার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ধানখালী ইউপির লোন্দা গ্রামের টিয়াখালী নদীর চর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত ভদ্র শিকদার ওই ইউপির লোন্দা গ্রামের ইউসুফ আলী শিকদারের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানায়, ভদ্র শিকদার পেশায় একজন জেলে এবং তিনি অধিকাংশ সময়ই নদীর চরে থাকতেন। দুদিন আগেও ঝড়ো বৃষ্টির মধ্যে মাছ শিকার করেছেন। তবে খুবই সাহসী স্বভাবের এই জেলে বাড়িতে থাকতেন না।
পায়রা বন্দর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ নয়ন কারকুন কালবেলাকে বলেন, সকালে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত তিনদিন আগে মারা গেছে। মরদেহের পচন ধরেছে। আমরা সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
What's Your Reaction?