নানা রঙের মৌসুমি ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সড়কের পাশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জলাশয়ের পাড় ও বাড়ির আঙিনা এখন সেজেছে সোনালু, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, হিজলসহ নানা রঙের ফুল। গ্রীষ্মকালের প্রকৃতিতে যেন রঙের উৎসব ছড়িয়ে দিয়েছে গ্রীষ্মের এসব মৌসুমি ফুল। প্রকৃতির এই মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য মুগ্ধ করছে পথচারী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের।  উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার প্রকৃতিতে ফোটা কৃষ্ণচূড়ার লাল আভা যেন আগুনের শিখার মতো দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। কোথাও সোনালুর চোখজুড়ানো ঝুলন্ত হলুদ ফুল বাতাসে দোল খেয়ে নজর কাড়ছে। আবার কোথাও জলাশয়ের ধারে ফুটে থাকা ও নিচে ঝরে পড়া হিজল ফুল প্রকৃতিতে দিয়েছে ভিন্ন এক আবহ। জারুলের বেগুনি রংয়ের ফুলও কোথাও কোথাও এনে দিয়েছে সৌন্দর্যের এক মনমাতানো প্রশান্তি। এছাড়াও মৌসুমি আরও নানা ফুলে গ্রীষ্মের প্রকৃতি যেন সেজে উঠেছে প্রাণবন্ত রূপে।  ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরের বাসিন্দা ও ফুলপ্রেমী রাফসান হাসান সৈকত বলেন, গ্রীষ্মকাল এলেই প্রকৃতিতে এক অন্যরকম সৌন্দর্য দেখা যায়। বিশেষ করে কৃষ্ণচূড়া আর জারুল ফুল ফুটলে মনে হয় পুরো এলাকা রঙিন হয়ে উঠেছে। এসব ফুল মানুষের মন ভালো করে দেয়।  স্থ

নানা রঙের মৌসুমি ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সড়কের পাশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জলাশয়ের পাড় ও বাড়ির আঙিনা এখন সেজেছে সোনালু, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, হিজলসহ নানা রঙের ফুল। গ্রীষ্মকালের প্রকৃতিতে যেন রঙের উৎসব ছড়িয়ে দিয়েছে গ্রীষ্মের এসব মৌসুমি ফুল। প্রকৃতির এই মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য মুগ্ধ করছে পথচারী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের। 

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার প্রকৃতিতে ফোটা কৃষ্ণচূড়ার লাল আভা যেন আগুনের শিখার মতো দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। কোথাও সোনালুর চোখজুড়ানো ঝুলন্ত হলুদ ফুল বাতাসে দোল খেয়ে নজর কাড়ছে। আবার কোথাও জলাশয়ের ধারে ফুটে থাকা ও নিচে ঝরে পড়া হিজল ফুল প্রকৃতিতে দিয়েছে ভিন্ন এক আবহ। জারুলের বেগুনি রংয়ের ফুলও কোথাও কোথাও এনে দিয়েছে সৌন্দর্যের এক মনমাতানো প্রশান্তি। এছাড়াও মৌসুমি আরও নানা ফুলে গ্রীষ্মের প্রকৃতি যেন সেজে উঠেছে প্রাণবন্ত রূপে। 

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরের বাসিন্দা ও ফুলপ্রেমী রাফসান হাসান সৈকত বলেন, গ্রীষ্মকাল এলেই প্রকৃতিতে এক অন্যরকম সৌন্দর্য দেখা যায়। বিশেষ করে কৃষ্ণচূড়া আর জারুল ফুল ফুটলে মনে হয় পুরো এলাকা রঙিন হয়ে উঠেছে। এসব ফুল মানুষের মন ভালো করে দেয়। 

স্থানীয় গৃহিণী শাহনাজ পারভীন বলেন, প্রতিদিন সকালে হাঁটতে বের হলে প্রকৃতিতে ফোটা রাস্তার পাশের ফুলগুলো দেখতে খুব ভালো লাগে। বিশেষ করে হিজল ফুল সকালের পর ঝরে যায়, তাই এর সৌন্দর্য সকাল-সকালই দেখা যায়, অবশ্য ঝরা ফুলের সৌন্দর্যও কম নয়। এছাড়াও কৃষ্ণচূড়া, জারুল এ সময়টায় প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে। 

কলেজ শিক্ষার্থী ও ফুলপ্রেমী তানিয়া আক্তার বলেন, কৃষ্ণচূড়ার নিচে ছবি তুলতে এখন অনেকেই ভিড় করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব ফুলের ছবি ছড়িয়ে পড়ছে। এতে তরুণদের মধ্যেও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা তৈরি হচ্ছে। 

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আবদুল হান্নান বলেন, আগে গ্রামবাংলার প্রকৃতিতে আরও বেশি শোভাবর্ধনকারী গাছ দেখা যেত। তবে দিন দিন এসব গাছের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। এখনও যেখানে যেখানে এসব শোভাবর্ধনকারী গাছ রয়েছে সেগুলোতে ফোটা ফুল সেখানকার প্রকৃতিকে রঙিন করে রেখেছে। 

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নূরে আলম বলেন, প্রতিটি ঋতুই প্রকৃতিকে ভিন্নভাবে সাজিয়ে তোলে। গ্রীষ্মেও ফোটে নানা রকম ফুল। এ সময়টায় গ্রীষ্মের কিছু ফুল প্রকৃতিকে রাঙিয়ে তুলেছে। এসব ফুলের সৌন্দর্যে প্রকৃতি অন্যরকমভাবে সেজে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্ম মোবাইল ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ছে। তাদের প্রকৃতির প্রতি আগ্রহ বাড়াতে হলে এসব গাছ ও ফুল সংরক্ষণ করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের প্রকৃতির সৌন্দর্য সম্পর্কে জানাতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow