নারী-মদসহ আটক পাসপোর্ট অফিসের সেই এডির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি
নারী ও মদসহ আটক শেরপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) মো. রুস্তম আলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. নূরুল হাফিজ। তিনি বলেন, রুস্তম আলীকে অফিসের কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিনগত রাত ২টার দিকে শেরপুর পৌরসভার নবীনগর নয়াপাড়া এলাকায় পাসপোর্ট অফিসের তৃতীয় তলায় নিজ বাসভবন থেকে রুস্তম আলী ও এক নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, পাসপোর্ট অফিসের তৃতীয় তলায় সহকারী পরিচালকের বাসভবনে এক অপরিচিত নারীকে প্রবেশ করতে দেখেন তারা। পরে সন্দেহ হলে ওই নারী ও সহকারী পরিচালককে সেখানে অবস্থান করতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে
নারী ও মদসহ আটক শেরপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) মো. রুস্তম আলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. নূরুল হাফিজ।
তিনি বলেন, রুস্তম আলীকে অফিসের কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিনগত রাত ২টার দিকে শেরপুর পৌরসভার নবীনগর নয়াপাড়া এলাকায় পাসপোর্ট অফিসের তৃতীয় তলায় নিজ বাসভবন থেকে রুস্তম আলী ও এক নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পাসপোর্ট অফিসের তৃতীয় তলায় সহকারী পরিচালকের বাসভবনে এক অপরিচিত নারীকে প্রবেশ করতে দেখেন তারা। পরে সন্দেহ হলে ওই নারী ও সহকারী পরিচালককে সেখানে অবস্থান করতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়।
শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, রুস্তম আলী ও ওই নারীকে রাতে পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে থাকা সহকারী পরিচালকের বাসভবন থেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্ত কমিটির বিষয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মো. নাঈম ইসলাম/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?