নিউমার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা

রাজধানীর নিউমার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা করেছেন তার বড় ভাই সাইদ আক্তার রিপন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ নাইম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অজ্ঞাত ৮/৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন তার বড় ভাই সাইদ আক্তার রিপন। নিহত টিটনের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা আছে। তদন্ত চলছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেটের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলায় টিটনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ২০০১ সালে সরকারঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে তার নাম ছিল। আরও পড়ুনঢাকার নিউমার্কেটে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা, শরীরে গুলির ৫ চিহ্ন পুলিশের ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যকার অন্তঃকোন্দলে খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে হত্যা করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর বেলা পৌনে ১১টায় পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় পুলিশের একসময়ের তালিকাভুক্ত

নিউমার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা

রাজধানীর নিউমার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা করেছেন তার বড় ভাই সাইদ আক্তার রিপন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ নাইম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অজ্ঞাত ৮/৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন তার বড় ভাই সাইদ আক্তার রিপন। নিহত টিটনের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা আছে। তদন্ত চলছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেটের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলায় টিটনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ২০০১ সালে সরকারঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে তার নাম ছিল।

আরও পড়ুন
ঢাকার নিউমার্কেটে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা, শরীরে গুলির ৫ চিহ্ন

পুলিশের ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যকার অন্তঃকোন্দলে খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে হত্যা করা হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর বেলা পৌনে ১১টায় পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় পুলিশের একসময়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈফ মামুনকে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যার নেপথ্যে ছিলেন নাঈম আহমেদ টিটনের ভগ্নিপতি শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন।

পুলিশ জানায়, টিটন ১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে অপরাধজগতে প্রবেশ করেন। তিনি প্রথমে স্থানীয় অপরাধী চক্রের সদস্য ছিলেন এবং ধীরে ধীরে অপরাধজগতে নিজের পরিচিতি বাড়াতে থাকেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টিটন তার অপরাধ কার্যক্রম বিস্তৃত করেন। তিনি একাধিক হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেন। টিটন অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন এবং তার নেতৃত্বে অস্ত্রের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে।

তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা ছিল, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ব্যবসায়ী বাবর এলাহী হত্যা।

২০০৪ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তিনি ২০১৪ সালে বাবর এলাহী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।

তবে ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

টিটি/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow