নিকেতনে জোর করে ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা, বাসা তছনছ

রাজধানীর সুরক্ষিত ও অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত নিকেতন-গুলশানে প্রবাসী মালিকানাধীন একটি ফ্ল্যাট জোর করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি)রাত ৮টা ১ মিনিটে, রমজানের তারাবির নামাজ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। ধর্মীয় ও ব্যস্ত সময়কে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে হামলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে ধারণা ভুক্তভোগীদের। ঘটনার সময় প্রবাসে থাকা ভুক্তভোগী ফ্ল্যাট মালিক ফাহিম ফয়সাল জানান, সাত সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ দল এ-৯৪ নম্বর ভবনের এ-৫ নম্বর অ্যাপার্টমেন্টকে টার্গেট করে প্রথমে সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে। এরপর তারা ফ্ল্যাটটির মূল দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা চালায়। মেইন দরজার ডিজিটাল ও অ্যানালগ দুই ধরনের তালাই ভেঙে ফেলা হয়। তবে ক্যামেরা ভাঙার আগেই সন্ত্রাসীদের ভবনে প্রবেশ ও অবস্থানের দৃশ্য রেকর্ড হয়ে যায়। বিদেশে অবস্থানরত ফ্ল্যাট মালিক ফাহিম ফয়সাল রিয়েল-টাইম অ্যালার্ট পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি টের পান এবং দ্রুত নিকেতন সোসাইটির সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি আবু নাহিম মোহাম্মদ শাকিল ও অ্যাপার্টমেন্ট মালিক সমিতির সভাপতি মাসুদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সোসাইটির নিরাপত্তাকর্মীরা

নিকেতনে জোর করে ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা, বাসা তছনছ

রাজধানীর সুরক্ষিত ও অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত নিকেতন-গুলশানে প্রবাসী মালিকানাধীন একটি ফ্ল্যাট জোর করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি)রাত ৮টা ১ মিনিটে, রমজানের তারাবির নামাজ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। ধর্মীয় ও ব্যস্ত সময়কে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে হামলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে ধারণা ভুক্তভোগীদের।

ঘটনার সময় প্রবাসে থাকা ভুক্তভোগী ফ্ল্যাট মালিক ফাহিম ফয়সাল জানান, সাত সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ দল এ-৯৪ নম্বর ভবনের এ-৫ নম্বর অ্যাপার্টমেন্টকে টার্গেট করে প্রথমে সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে। এরপর তারা ফ্ল্যাটটির মূল দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা চালায়। মেইন দরজার ডিজিটাল ও অ্যানালগ দুই ধরনের তালাই ভেঙে ফেলা হয়। তবে ক্যামেরা ভাঙার আগেই সন্ত্রাসীদের ভবনে প্রবেশ ও অবস্থানের দৃশ্য রেকর্ড হয়ে যায়। বিদেশে অবস্থানরত ফ্ল্যাট মালিক ফাহিম ফয়সাল রিয়েল-টাইম অ্যালার্ট পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি টের পান এবং দ্রুত নিকেতন সোসাইটির সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি আবু নাহিম মোহাম্মদ শাকিল ও অ্যাপার্টমেন্ট মালিক সমিতির সভাপতি মাসুদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সোসাইটির নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ভাংচুরকারিরা গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। তবে পালানোর আগে তারা ভবনের নিরাপত্তাকর্মী সুমনের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও নগদ পাঁচ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে ভয়ভীতি দেখায়। 

ঘটনার পর ভুক্তভোগী মালিক গুলশান থানার ডিউটি অফিসারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে গুলশান থানার এসআই রুহুল আমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেন, ব্যবহৃত গাড়ির নম্বর নেন এবং ঘটনাস্থল থেকে আলামত জব্দ করেন।

ভুক্তভোগী ফাহিম ফয়সাল দাবি করেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে এফ কে রাজ ও আবুল কালাম আজাদ নামের দুই ব্যক্তি সরাসরি জড়িত থাকতে পারেন। তার ভাষ্য, এ দুজন এর আগে ভবনের সিসিটিভি দুইবার চুরি করেছে। এছাড়া তারা তার বাবার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির ঘটনায় গুলশান থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি। অতীতে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাদের একটি গাড়ি বাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন। 

এ ঘটনায় গুলশান থানার এসআই রুহুল আমিন জানান, ফ্ল্যাট দখলের একটি ঘটনা নিয়ে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে যাচাই বাছাই চলছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow