নির্বাচনের নামে আমাদের ধোঁকা দেওয়া হয়েছে: কর্নেল অলি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ও ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ তুলে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আসার প্রস্তাব দিয়েছেন। নির্বাচন-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল অলি অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনের নামে জাতিকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। দিন-রাত সমানতালে ভোট ডাকাতি হয়েছে।’  তিনি দাবি করেন, যেসব প্রার্থীরা বিকেলে বেশি ভোট পেয়েছেন, তাদের ব্যালটে দ্বৈত সিল মেরে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া অনেক স্থানে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সহায়তায় নতুন করে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করার অভিযোগও তোলেন তিনি। অলি আহমদের মতে, এসব কর্মকাণ্ড সরাসরি ‘দেশদ্রোহিতার’ শামিল। নিজের ছেলে ওমর ফারুকের পরাজয় প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওমর ফারুককে ভোট দিলেও প্রশাসন সেই ভোট ‘হাইজ্যাক’ করে তাকে হারিয়ে দিয়েছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ন্যক্কারজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। সংবাদ সম্মেলনে অলি আহমদ জামায়াতে ইসলামীসহ জোটে

নির্বাচনের নামে আমাদের ধোঁকা দেওয়া হয়েছে: কর্নেল অলি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ও ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ তুলে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আসার প্রস্তাব দিয়েছেন।

নির্বাচন-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল অলি অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনের নামে জাতিকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। দিন-রাত সমানতালে ভোট ডাকাতি হয়েছে।’ 

তিনি দাবি করেন, যেসব প্রার্থীরা বিকেলে বেশি ভোট পেয়েছেন, তাদের ব্যালটে দ্বৈত সিল মেরে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া অনেক স্থানে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সহায়তায় নতুন করে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করার অভিযোগও তোলেন তিনি। অলি আহমদের মতে, এসব কর্মকাণ্ড সরাসরি ‘দেশদ্রোহিতার’ শামিল।

নিজের ছেলে ওমর ফারুকের পরাজয় প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওমর ফারুককে ভোট দিলেও প্রশাসন সেই ভোট ‘হাইজ্যাক’ করে তাকে হারিয়ে দিয়েছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ন্যক্কারজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে অলি আহমদ জামায়াতে ইসলামীসহ জোটের শরিকদের প্রতি একীভূত হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এখন আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতায় আছি। তবে এই ঐক্যকে সুদৃঢ় করতে হলে আমাদের নতুন নাম ও নতুন প্রতীক প্রয়োজন। এলডিপির ‘ছাতা’, জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ কিংবা ‘শাপলা কলি’ নয়- সবাইকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এক ছাতার নিচে আসতে হবে। এতে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরো শক্ত হবে এবং দলগুলোর মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি দূর হবে বলে তিনি মনে করেন।

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে অলি আহমদ বলেন, ১৪০০ মেধাবী সন্তান জুলাই আন্দোলনে শাহাদাত বরণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও হাজার হাজার প্রাণ ঝরেছে। আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। কেউ এসে হেলায় হেলায় রাজত্ব করবে আর আমরা বসে থাকব, তা হতে পারে না।

সবশেষে তিনি দাবি করেন, তার দলের প্রার্থীরা হারেননি বরং কারচুপির মাধ্যমে তাদের হারানো হয়েছে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন এলডিপির সঙ্গেই ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow