নির্বাচনের পর তুরাগ-লবনদহ-চিলাই খাল খননের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাজধানীর একেবারে নিকটে অবস্থিত গাজীপুরই পুরো বাংলাদেশের শিল্পের রাজধানী। এ দেশের গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর হাত ধরেই দেশে শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটে, যার ফলে লক্ষ লক্ষ মা-বোন ও ভাইয়ের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১১টা ৫০ মিনিটে ঐতিহাসিক গাজীপুরের রাজবাড়ী মাঠে মহানগর বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, দেশের খেটে খাওয়া মানুষের উন্নয়নের কথা যদি কেউ আন্তরিকভাবে চিন্তা করে থাকে, তা করেছে বিএনপি সরকার। বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগও বিএনপি সরকারের সময়েই শুরু হয়েছিল। গাজীপুরকে কেন্দ্র করে শিল্প উন্নয়নে বিএনপির একটি বড় পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে যাতে আরও লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়, সে লক্ষ্যেই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কৃষক ভাইদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, গাজীপুরে তুরাগ, লবনদহ ও চিলাই—এই তিনটি বড় খাল রয়েছে। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন শেষে এসব খাল খননের কাজ শুরু করা

নির্বাচনের পর তুরাগ-লবনদহ-চিলাই খাল খননের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাজধানীর একেবারে নিকটে অবস্থিত গাজীপুরই পুরো বাংলাদেশের শিল্পের রাজধানী। এ দেশের গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর হাত ধরেই দেশে শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটে, যার ফলে লক্ষ লক্ষ মা-বোন ও ভাইয়ের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১১টা ৫০ মিনিটে ঐতিহাসিক গাজীপুরের রাজবাড়ী মাঠে মহানগর বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, দেশের খেটে খাওয়া মানুষের উন্নয়নের কথা যদি কেউ আন্তরিকভাবে চিন্তা করে থাকে, তা করেছে বিএনপি সরকার। বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগও বিএনপি সরকারের সময়েই শুরু হয়েছিল। গাজীপুরকে কেন্দ্র করে শিল্প উন্নয়নে বিএনপির একটি বড় পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে যাতে আরও লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়, সে লক্ষ্যেই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কৃষক ভাইদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, গাজীপুরে তুরাগ, লবনদহ ও চিলাই—এই তিনটি বড় খাল রয়েছে। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন শেষে এসব খাল খননের কাজ শুরু করা হবে। দূষিত পানি যাতে আর গাজীপুরে থাকতে না পারে, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি জয়দেবপুর রেলগেট এলাকায় দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট নিরসনে দ্রুত ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি। শিল্পকারখানায় নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং শ্রমিকদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন বিএনপির চেয়ারম্যান।

২৪-এর জুলাই আন্দোলনে গাজীপুরের মানুষের ভূমিকার কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে অধিকার আদায়ের লড়াই করেছে। এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে রক্ষা করতে আগামী ১২ তারিখ ভোরে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ফজরের নামাজ ভোটকেন্দ্রের সামনে জামাতে আদায়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাতে কেউ আগে থেকে সেখানে অবস্থান নিতে না পারে। অতীতের মতো ভোট ডাকাতি আর হতে দেওয়া যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সমাবেশের একপর্যায়ে তারেক রহমান গাজীপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের মঞ্চে উপস্থিত করিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, গাজীপুর নিয়ে বিএনপির যেসব পরিকল্পনা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে এই প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে পাশে থাকতে হবে।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। চান্দনা চৌরাস্তা থেকে জয়দেবপুর সড়ক ধরে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর ভিড় অতিক্রম করে দীর্ঘ সময় পর তিনি ডা. জোবায়দা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে সভামঞ্চে ওঠেন।

দীর্ঘ ২১ বছর পর নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে গাজীপুরে এলেন তারেক রহমান। সর্বশেষ ২০০৫ সালের ২৯ মার্চ তিনি গাজীপুরের শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে বিএনপির ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow