নির্বাচনে মোটরসাইকেল ৩ দিন-অন্যান্য যান ২৪ ঘণ্টা বন্ধ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত

নির্বাচনে মোটরসাইকেল ৩ দিন-অন্যান্য যান ২৪ ঘণ্টা বন্ধ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি। জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন। বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)। দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস)। টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন বা শিথিল করতে পারবেন।

এমওএস/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow