আওয়ামী লীগ ছাড়া নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, আওয়ামী লীগকে যে প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তা আইন ও সংবিধানসম্মত হয়নি। দেশের একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে বাইরে রেখে কখনো নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না। এটি আইনের শাসন ও গণতন্ত্র—উভয়কেই বাধাগ্রস্ত করছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের খামার মনিরাম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‎শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, একজন আইনজীবী হিসেবে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থেকে একটি বড় দলকে বাদ দেওয়া মানে নির্বাচনি নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। এর ফলে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক চর্চা দুর্বল হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, নির্বাচন শুধু ভোট গ্রহণের নাম নয়, এটি জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণের বিষয়। ‎বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে জাপা মহাসচিব বলেন, সরকার ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে। পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে। আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নির্বাচনে নেমেছি, জনগণকেও সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যে

আওয়ামী লীগ ছাড়া নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, আওয়ামী লীগকে যে প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তা আইন ও সংবিধানসম্মত হয়নি। দেশের একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে বাইরে রেখে কখনো নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না। এটি আইনের শাসন ও গণতন্ত্র—উভয়কেই বাধাগ্রস্ত করছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের খামার মনিরাম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‎শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, একজন আইনজীবী হিসেবে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থেকে একটি বড় দলকে বাদ দেওয়া মানে নির্বাচনি নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। এর ফলে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক চর্চা দুর্বল হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, নির্বাচন শুধু ভোট গ্রহণের নাম নয়, এটি জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণের বিষয়।

‎বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে জাপা মহাসচিব বলেন, সরকার ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে। পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে। আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নির্বাচনে নেমেছি, জনগণকেও সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। এই নির্বাচনে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে, যা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে।

‎নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, জাতীয় পার্টিকে সারাদেশে বিভিন্নভাবে কোণঠাসা করার অপচেষ্টা চলছে। একটি পূর্বপরিকল্পিত ও পূর্বনির্ধারিত নির্বাচন আয়োজনের আলামত দেখা যাচ্ছে। এটি একটা ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যানুফ্যাকচারড নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে, যেখানে জনগণের ভোটাধিকার গুরুত্বহীন হয়ে পড়তে পারে। যদি এই নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হয়, তাহলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয় পার্টি আপসহীন থাকবে। দেশে সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জাতীয় পার্টিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে।

‎পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির উপজেলা সহসভাপতি আনছার আলী সরদার, জহুরুল হক বাদশা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মন্ডল, বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন সভাপতি রেজাউল হক রেজা, সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল হোসেন মুক্তিসহ স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও অংগসংগঠনের নেতাকর্মীরা। সভা শেষে নেতাকর্মীরা লাঙ্গল প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে এলাকায় গণসংযোগ করেন।


আনোয়ার আল শামীম/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow