নিলাম-ড্রাফট মিলিয়ে ‘ড্রাকশন’ ভাবনায় পিএসএলের খেলোয়াড় বাছাই

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) গত ১০ আসরে খেলোয়াড় বাছাই প্রক্রিয়া হয়েছিল ড্রাফটের মাধ্যমে। তবে একাদশ আসরকে সামনে রেখে সেই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। হাইব্রিড মডেলে হতে পারে এবারের খেলোয়াড় বাছাইয়ের প্রক্রিয়া। ড্রাফট ও নিলামের সমন্বয়ে নতুন একটি পদ্ধতি ‘ড্রাকশন’ চালুর আলোচনা চলছে। তবে এবারের আসরে হায়দরাবাদ ও শিয়ালকোট থেকে দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি যুক্ত হওয়ায় নিলাম বা হাইব্রিড পদ্ধতির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার পিএসএল গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক বিবৃতিতে সম্ভাব্য নতুন খেলোয়াড় নিয়োগ পদ্ধতিকে ‘ড্রাকশন’ নামে উল্লেখ করা হয়। বৈঠকে আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যেখানে মুলতান সুলতানসের পক্ষে পিসিবি প্রতিনিধিত্ব করে। নতুন করে দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি যুক্ত হওয়ায় খেলোয়াড় ধরে রাখার বিষয়টি জটিল হয়ে পড়েছে। বিদ্যমান দলগুলো কতজন খেলোয়াড় রিটেইন করতে পারবে এবং নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে কীভাবে সেরা খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার ন্যায্য সুযোগ দেওয়া হবে, তা নিয়ে মতভেদ থাকায় আলোচনা অসম্পূ

নিলাম-ড্রাফট মিলিয়ে ‘ড্রাকশন’ ভাবনায় পিএসএলের খেলোয়াড় বাছাই

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) গত ১০ আসরে খেলোয়াড় বাছাই প্রক্রিয়া হয়েছিল ড্রাফটের মাধ্যমে। তবে একাদশ আসরকে সামনে রেখে সেই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। হাইব্রিড মডেলে হতে পারে এবারের খেলোয়াড় বাছাইয়ের প্রক্রিয়া। ড্রাফট ও নিলামের সমন্বয়ে নতুন একটি পদ্ধতি ‘ড্রাকশন’ চালুর আলোচনা চলছে।

তবে এবারের আসরে হায়দরাবাদ ও শিয়ালকোট থেকে দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি যুক্ত হওয়ায় নিলাম বা হাইব্রিড পদ্ধতির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার পিএসএল গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক বিবৃতিতে সম্ভাব্য নতুন খেলোয়াড় নিয়োগ পদ্ধতিকে ‘ড্রাকশন’ নামে উল্লেখ করা হয়। বৈঠকে আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যেখানে মুলতান সুলতানসের পক্ষে পিসিবি প্রতিনিধিত্ব করে।

নতুন করে দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি যুক্ত হওয়ায় খেলোয়াড় ধরে রাখার বিষয়টি জটিল হয়ে পড়েছে। বিদ্যমান দলগুলো কতজন খেলোয়াড় রিটেইন করতে পারবে এবং নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে কীভাবে সেরা খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার ন্যায্য সুযোগ দেওয়া হবে, তা নিয়ে মতভেদ থাকায় আলোচনা অসম্পূর্ণ অবস্থায় একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে বৈঠক মুলতবি করা হয়েছে।

ইএসপিএনক্রিকইনফোর তথ্যমতে, নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো কম রিটেনশনের পক্ষে, যাতে পুল থেকে বড় খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে। তারাই ড্রাফটের বদলে নিলামের পক্ষে সবচেয়ে জোরালো অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, বিদ্যমান অধিকাংশ ফ্র্যাঞ্চাইজি নিলামের বিরোধিতা করছে। মতভেদ থাকলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা চেয়ারম্যানের হলেও, পিএসএল কর্তৃপক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ সময় ও সুযোগ দিতে চায়।

পিসিবির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বৈঠকে পিএসএলের সূচি, খেলোয়াড় রিটেনশন, নিলাম বা ড্রাফটের সঙ্গে নিলামের সমন্বয়ে ‘ড্রাকশন’ পদ্ধতি গ্রহণ এবং সরাসরি চুক্তির বিকল্পসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, পিএসএল শুরু হবে আগামী ২৬ মার্চ। ভক্ত, খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্টরা লিগের নতুন যুগে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছেন।’

এদিকে, মুলতান সুলতানসের মালিকানা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। আগের মালিক আলি তারিন সরে দাঁড়ানোর পর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পিসিবি। তবে হায়দরাবাদ ও শিয়ালকোট ফ্র্যাঞ্চাইজির উচ্চমূল্যে বিক্রি হওয়ার প্রেক্ষাপটে এখন সুলতানসকে আবার নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ টেকনিক্যাল বিড আহ্বান করা হবে।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow