নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ করা পাভেলকে মারধরের ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয়
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তী নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রুলটি জারি করেন।
রুল জারির সময় আদালতে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার এজাহারের প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ সময় হাইকোর্ট বলেন, একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই।
গত ৮ মার্চ রোববার দিবাগত রাত তিনটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের পর রাহিদ খান পাভেলকে শাহবাগ থানা-য় রেখে আসা হয়। রাহিদের অভিযোগ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তাঁকে মারধর করেছেন।
রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাহিদ বলেন, ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামে
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তী নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রুলটি জারি করেন।
রুল জারির সময় আদালতে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার এজাহারের প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ সময় হাইকোর্ট বলেন, একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই।
গত ৮ মার্চ রোববার দিবাগত রাত তিনটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের পর রাহিদ খান পাভেলকে শাহবাগ থানা-য় রেখে আসা হয়। রাহিদের অভিযোগ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তাঁকে মারধর করেছেন।
রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাহিদ বলেন, ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাইভাবে মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।
রাহিদ অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ আরও কয়েকজন তাঁকে মারধর করেছেন।
যদিও অভিযোগকারীরা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি, রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন কি না।
উল্লেখ্য, পরবর্তীকালে এ ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।