নেট দুনিয়ায় ভাইরাল 'সম্মানি রশিদ' নিয়ে যা জানা গেলো
একটি 'নির্বাচনী সম্মানি' রশিদ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সেই রশিদে দেখা যাচ্ছে চট্টগ্রাম -৪ ( সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী লায়ন আসলাম চৌধুরী ও ধানের শীষের প্রতীকের ছবিযুক্ত রশিদের সাথে এক নারীর বিকাশ নাম্বার। ভোটার আইডি কার্ড নাম্বারও আছে সাথে। আসলাম চৌধুরীর পক্ষ থেকে ভোটারদের কাছ থেকে বিকাশ নাম্বার নেওয়া হচ্ছে বলে এই ছবি নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। এরমধ্যে জানা গেছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছড়ানো হয়েছে এই রশিদ। মূলত ফটোশপ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই ছবি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই রশিদ ২৬ জানুয়ারিতে ইস্যু করা হয়। এতে সাহেদা বেগম নামের এক নারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তার ঠিকানা লেখা হয়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারির জাহানাবাদ গ্রাম। ছবিতে তাকে বিকাশে টাকা দেওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এতে রয়েছে তার এনআইডি নাম্বার ও বিকাশ নাম্বার। ভাইরাল সেই রশিদ যাচাই করে এটি ভুয়া বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এতে ভোটারের বিকাশ নাম্বার হিসেবে পারসনাল (ব্যক্তিগত) নাম্বার না দিয়ে দেওয়া হয়েছে এজেন্ট নাম্বার। কিন্তু এ নাম্বারটি যাচাই করলে বিকাশ নাম্বারটিও ভুয়া বলে জানা গেছে। এদিকে রশিদে উল্লেখ করা ও
একটি 'নির্বাচনী সম্মানি' রশিদ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সেই রশিদে দেখা যাচ্ছে চট্টগ্রাম -৪ ( সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী লায়ন আসলাম চৌধুরী ও ধানের শীষের প্রতীকের ছবিযুক্ত রশিদের সাথে এক নারীর বিকাশ নাম্বার। ভোটার আইডি কার্ড নাম্বারও আছে সাথে। আসলাম চৌধুরীর পক্ষ থেকে ভোটারদের কাছ থেকে বিকাশ নাম্বার নেওয়া হচ্ছে বলে এই ছবি নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। এরমধ্যে জানা গেছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছড়ানো হয়েছে এই রশিদ। মূলত ফটোশপ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই ছবি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই রশিদ ২৬ জানুয়ারিতে ইস্যু করা হয়। এতে সাহেদা বেগম নামের এক নারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তার ঠিকানা লেখা হয়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারির জাহানাবাদ গ্রাম। ছবিতে তাকে বিকাশে টাকা দেওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এতে রয়েছে তার এনআইডি নাম্বার ও বিকাশ নাম্বার।
ভাইরাল সেই রশিদ যাচাই করে এটি ভুয়া বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এতে ভোটারের বিকাশ নাম্বার হিসেবে পারসনাল (ব্যক্তিগত) নাম্বার না দিয়ে দেওয়া হয়েছে এজেন্ট নাম্বার। কিন্তু এ নাম্বারটি যাচাই করলে বিকাশ নাম্বারটিও ভুয়া বলে জানা গেছে।
এদিকে রশিদে উল্লেখ করা ওই নারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বারটিও ভুয়া বলে জানা গেছে। নাম্বারটির শুরুতে জন্মসাল দেওয়ায় নাম্বারটি সঠিক মনে হলেও নাম্বারটির ১৫ সংখ্যার। অথচ সাধারণ জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার হয় ১৭ সংখ্যায়।
সেই রশিদের বিষয়ে জানতে লায়ন আসলাম চৌধুরীকে বেশ কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।পরে বিষয়টি জানিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে নক দিলে তিনি সেটি প্রোপাগাণ্ডা বলে জানান।
আসলাম চৌধুরীর নির্বাচনী মিডিয়া টিমের সদস্য মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি পক্ষ গুজব ছড়াচ্ছে।তারা এআই দিয়ে ছবি তৈরি করে নোংরামি করছে।আসলাম চৌধুরীর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এরকম ফেইক আইডি দিয়ে নোংরামি করছে বট বাহিনী।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন আসলাম চৌধুরীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মোহাম্মদ মোরছালিন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘Md Ah Rakib’ নামের একটি ফেসবুক আইডিসহ একাধিক ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ‘ভোটার সম্মানি রশিদ’ শিরোনামে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন একটি স্লিপ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব ভুয়া কনটেন্টের মাধ্যমে সাধারণ ভোটারদের বিভ্রান্ত করা এবং প্রার্থীর বিরুদ্ধে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চলছে।
মোহাম্মদ মোরছালিন অভিযোগ করেন, শুধু একটি ভুয়া রশিদ নয়—উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভিন্ন পোস্ট ও গুজব ছড়িয়ে একটি মহল সচেতনভাবে নির্বাচনী পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। দ্রুত তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা না নিলে অপপ্রচারের মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
আবেদনে আরও বলা হয়, আসলাম চৌধুরীর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষের একটি অংশ অনৈতিক ও বেআইনি পথে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা স্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন।
What's Your Reaction?