নোয়াখালীতে পুলিশ কনস্টেবলের বাড়ি থকে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট

নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলায় এক পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা জানালার গ্রিল ও কাচ ভেঙে ঘরে ঢুকে সাড়ে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ও শাড়ি কাপড়সহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সোমবার গভীর রাতে সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তির হাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মো. রিফাত হোসেন কুমিল্লা জেলা পুলিশে লাইনে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। তিনি শান্তির হাট এলাকার আজাদ মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের আঁধারে একটি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে কয়েকজন দুর্বৃত্ত বাড়ির সামনে আসে। পরে জানালার গ্রিল কেটে ও থাই গ্লাস খুলে তারা বসতঘরে প্রবেশ করে। এরপর স্টিলের আলমারি ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নেয়। ঘটনার সময় বাড়িতে এসআই রিফাতের মা ও ছোট বোন ছিলেন। কাচ ভাঙার শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে তার মা চিৎকার দেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে লুটেরারা দ্রুত পালিয়ে যায়। কনস্টেবল রিফাত হোসেন বলেন, আমার বোন আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এ

নোয়াখালীতে পুলিশ কনস্টেবলের বাড়ি থকে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট

নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলায় এক পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা জানালার গ্রিল ও কাচ ভেঙে ঘরে ঢুকে সাড়ে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ও শাড়ি কাপড়সহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

সোমবার গভীর রাতে সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তির হাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী মো. রিফাত হোসেন কুমিল্লা জেলা পুলিশে লাইনে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। তিনি শান্তির হাট এলাকার আজাদ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের আঁধারে একটি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে কয়েকজন দুর্বৃত্ত বাড়ির সামনে আসে। পরে জানালার গ্রিল কেটে ও থাই গ্লাস খুলে তারা বসতঘরে প্রবেশ করে। এরপর স্টিলের আলমারি ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নেয়। ঘটনার সময় বাড়িতে এসআই রিফাতের মা ও ছোট বোন ছিলেন। কাচ ভাঙার শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে তার মা চিৎকার দেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে লুটেরারা দ্রুত পালিয়ে যায়।

কনস্টেবল রিফাত হোসেন বলেন, আমার বোন আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। চোরেরা তার স্বর্ণালংকারসহ মোট সাড়ে পাঁচ ভরি স্বর্ণ, নগদ টাকা, শাড়ি-কাপড়সহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে লুৎফর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার প্রথমে লুট হওয়া মালামালের পরিমাণ বেশি দাবি করেছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে মামলার বাদী ইমরান হোসেন রাকিব এজাহারে উল্লেখ করেন, নগদ টাকাসহ ৫ লাখ টাকার মালামাল ও সাড়ে পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow