নোয়াখালীতে ১৩৩০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ গ্রেপ্তার ২
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় পৃথক অভিযানে ১৩৩০ লিটার চোরাই ডিজেল উদ্ধারসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে উপজেলার হাতিয়া পৌরসভার পাঁচ বিঘা ও এমপির পোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হাতিয়া পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের আবুল কাশেমের ছেলে মো.রাসেল (২২) এবং ফরাজি গ্রামের আজহার আহম্মদের ছেলে মো. জাফর (৩৫)। পুলিশ জানায়, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে তেলের মজুদ ঠেকাতে হাতিয়া পৌরসভার বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় দুপুর ১২টার দিকে পাঁচ বিঘা গ্রামের নবীর ভূঁইয়া স’মিলের উত্তর পাশের সড়ক থেকে ৪ ড্রাম (৭৬০ লিটার) চোরাই ডিজেল উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে এমপির পোল এলাকা থেকে আরও ৩ ড্রাম (৫৭০ লিটার) ডিজেল উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় চোরাই ডিজেল সংরক্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানতে চাইলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন আরও জানান, এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।পাশাপাশি পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় পৃথক অভিযানে ১৩৩০ লিটার চোরাই ডিজেল উদ্ধারসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে উপজেলার হাতিয়া পৌরসভার পাঁচ বিঘা ও এমপির পোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হাতিয়া পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের আবুল কাশেমের ছেলে মো.রাসেল (২২) এবং ফরাজি গ্রামের আজহার আহম্মদের ছেলে মো. জাফর (৩৫)।
পুলিশ জানায়, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে তেলের মজুদ ঠেকাতে হাতিয়া পৌরসভার বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় দুপুর ১২টার দিকে পাঁচ বিঘা গ্রামের নবীর ভূঁইয়া স’মিলের উত্তর পাশের সড়ক থেকে ৪ ড্রাম (৭৬০ লিটার) চোরাই ডিজেল উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে এমপির পোল এলাকা থেকে আরও ৩ ড্রাম (৫৭০ লিটার) ডিজেল উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় চোরাই ডিজেল সংরক্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানতে চাইলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন আরও জানান, এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।পাশাপাশি পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?