পদ্মা ডুবল এসএসসি পরীক্ষার্থীর জীবন

মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে নিখোঁজের ৪৩ ঘণ্টা পর পদ্মা সেতুর নিচে ভেসে উঠেছে আরাফাত হোসেন নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাওয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। আরাফাত শ্রীনগর পাইলট স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ৪ নম্বর পিলারের কাছে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া আরাফাত হোসেনের মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মাওয়া নৌ-পুলিশের আইসি এসআই মাসুদ মুন্সী বলেন, ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড নিখোঁজ আরাফাতের সন্ধানে গত তিনদিন ধরে উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছিল। মঙ্গলবার সকালে আরাফাতের মরদেহ পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলার কাছে ভাসমান অবস্থায় পায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে, গত রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুল ছাত্র আরাফাতসহ তার চার বন্ধু মাওয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে তিনজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও আরাফাত

পদ্মা ডুবল এসএসসি পরীক্ষার্থীর জীবন
মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে নিখোঁজের ৪৩ ঘণ্টা পর পদ্মা সেতুর নিচে ভেসে উঠেছে আরাফাত হোসেন নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাওয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। আরাফাত শ্রীনগর পাইলট স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ৪ নম্বর পিলারের কাছে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া আরাফাত হোসেনের মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মাওয়া নৌ-পুলিশের আইসি এসআই মাসুদ মুন্সী বলেন, ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড নিখোঁজ আরাফাতের সন্ধানে গত তিনদিন ধরে উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছিল। মঙ্গলবার সকালে আরাফাতের মরদেহ পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলার কাছে ভাসমান অবস্থায় পায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে, গত রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুল ছাত্র আরাফাতসহ তার চার বন্ধু মাওয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে তিনজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও আরাফাত নিখোঁজ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এরপর নিখোঁজ ওই স্কুল শিক্ষার্থীর সন্ধান পাওয়া না গেলেও পদ্মা সেতুর নিচে ভেসে ওঠে মরদেহ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow