পবিপ্রবিতে হামলার প্রতিবাদে তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি, প্রশাসনিক কার্যক্রম অচল
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) অপসারণ দাবির আন্দোলনে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের লাগাতার কর্মবিরতি তৃতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা বলেন, হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। তারা দাবি করেন, শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতা প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল্লাহসহ অন্য শিক্ষক নেতারা। এ সময় ডিন কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের এক জরুরি বৈঠকে নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত সোমবার (১১ মে) আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলাকারী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) অপসারণ দাবির আন্দোলনে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের লাগাতার কর্মবিরতি তৃতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা বলেন, হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। তারা দাবি করেন, শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতা প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল্লাহসহ অন্য শিক্ষক নেতারা। এ সময় ডিন কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের এক জরুরি বৈঠকে নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত সোমবার (১১ মে) আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলাকারী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পূর্বঘোষিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিভিন্ন সেমিস্টারের ক্লাস, ক্লাস টেস্ট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জন করে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের অফিস বাসভবন, রেজিস্ট্রার কার্যালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ মে ভিসি অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও উপাচার্যের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা রিসিব হয়নি।