পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে আমাদের অবশ্যই ব্লক ইটের দিকে যেতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতিতে মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরি পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে। তবে রাতারাতি এটি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। পরিবেশবান্ধব ব্লক ইটে রূপান্তর হতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে আমাদের অবশ্যই ব্লক ইটের দিকে যেতে হবে। তিনি বলেন, পরিবেশ খাতে অতীতে যে ধরনের অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে, ভবিষ্যতে তা আর হতে দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে যারা এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হবে, তাদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।  রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে ফেনী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই মন্ত্রীর নিজ জেলা ও সংসদীয় আসনে প্রথম সরকারি সফর। দেশের পরিবেশ রক্ষায় সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, সরকার জনজীবনের মানোন্নয়ন ও দূষণমুক্ত দেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলা করা। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী মে মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত দেশব্যাপী ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপ

পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে আমাদের অবশ্যই ব্লক ইটের দিকে যেতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতিতে মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরি পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে। তবে রাতারাতি এটি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। পরিবেশবান্ধব ব্লক ইটে রূপান্তর হতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে আমাদের অবশ্যই ব্লক ইটের দিকে যেতে হবে। তিনি বলেন, পরিবেশ খাতে অতীতে যে ধরনের অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে, ভবিষ্যতে তা আর হতে দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে যারা এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হবে, তাদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।  রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে ফেনী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই মন্ত্রীর নিজ জেলা ও সংসদীয় আসনে প্রথম সরকারি সফর। দেশের পরিবেশ রক্ষায় সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, সরকার জনজীবনের মানোন্নয়ন ও দূষণমুক্ত দেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলা করা। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী মে মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত দেশব্যাপী ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে। ঢাকা শহরের বর্তমান বায়ুমান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ঢাকার বায়ুদূষণ বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে রয়েছে। পরিবেশের উন্নয়ন ছাড়া জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। দূষণ কমানো এখন আমাদের জাতিগত দায়িত্ব। এটি শুধু স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে না, বরং দেশের অর্থনীতিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং মানুষের গড় আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের গাফিলতি সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের প্রকৃত উন্নয়ন চায়। মাঠ পর্যায়ের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন তিনি। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- ফেনীর জেলা প্রশাসক মুনিরা হক, পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শাহ নবী নেওয়াজ, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোবাশ্বের হোসেন মো. রাজিব এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, দাগনভূঁইয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন সদস্য সচিব কামরুল উদ্দিন ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow