পরীক্ষার কারণে আসতে পারেনি বাবার লাশ দাফনে, সেই নাজিফা পেল জিপিএ-৫
বাবার মৃত্যুর শোক বুকে নিয়েই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল নাজিফা জামান প্রজ্ঞা। থাকতে পারেনি বাবার মরদেহ দাফনের সময়। সোমবার (১০ আগস্ট) পরীক্ষার ফল প্রকাশের দেখা গেল জিপিএ-৫ পেয়েছে নাজিফা।
নাজিফা রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাবা কেশবপুরের মানবিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত প্রয়াত ডা. মো. কামরুজ্জামান। তিনি খুলনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি পরীক্ষা শুরুর পর গত ২২ এপ্রিল রাজধানীর একটি হাসপাতালে প্রায় ৪০ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ডা. কামরুজ্জামান। সেদিন রাতে তার মরদেহ যশোরের কেশবপুর উপজেলার সুফলাকাটি ইউনিয়নের হাড়িয়াঘোপ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তবে বাবার শেষ বিদায়ে উপস্থিত হতে পারেনি নাজিফা। কারণ, পরদিন ২৩ এপ্রিল তার এসএসসির বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা ছিল। বাবার মরদেহ দাফনের সময় পাশে থাকতে না পারার গভীর কষ্ট নিয়েই পরদিন পরীক্ষায় অংশ নেয় সে। এরপর বাকি পরীক্ষাগুলোও সম্পন্ন করে।
অবশেষে এসএসসির ফল প্রকাশের পর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে নাজিফা। কি
বাবার মৃত্যুর শোক বুকে নিয়েই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল নাজিফা জামান প্রজ্ঞা। থাকতে পারেনি বাবার মরদেহ দাফনের সময়। সোমবার (১০ আগস্ট) পরীক্ষার ফল প্রকাশের দেখা গেল জিপিএ-৫ পেয়েছে নাজিফা।
নাজিফা রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাবা কেশবপুরের মানবিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত প্রয়াত ডা. মো. কামরুজ্জামান। তিনি খুলনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি পরীক্ষা শুরুর পর গত ২২ এপ্রিল রাজধানীর একটি হাসপাতালে প্রায় ৪০ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ডা. কামরুজ্জামান। সেদিন রাতে তার মরদেহ যশোরের কেশবপুর উপজেলার সুফলাকাটি ইউনিয়নের হাড়িয়াঘোপ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তবে বাবার শেষ বিদায়ে উপস্থিত হতে পারেনি নাজিফা। কারণ, পরদিন ২৩ এপ্রিল তার এসএসসির বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা ছিল। বাবার মরদেহ দাফনের সময় পাশে থাকতে না পারার গভীর কষ্ট নিয়েই পরদিন পরীক্ষায় অংশ নেয় সে। এরপর বাকি পরীক্ষাগুলোও সম্পন্ন করে।
অবশেষে এসএসসির ফল প্রকাশের পর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে নাজিফা। কিন্তু বাবার অনুপস্থিতিতে এই অর্জনে নেই কোনো উচ্ছ্বাস। যে বাবা মেয়ের সাফল্য দেখতে চেয়েছিলেন, সেই বাবাই আজ নেই- এই বেদনাই তার আনন্দকে ম্লান করে দিয়েছে।
নাজিফার মা ফেরদৌস আরা বেগম বলেন, ‘মেয়ে ভবিষ্যতে ভালোভাবে লেখাপড়া করে বাবার মতো একজন মানবিক চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চায়।’ মেয়ের সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।