পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
পরিবেশ দূষণ রোধে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট আইনের কঠোর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি। সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট পরিদর্শনকালে পলিথিনবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি মার্কেটের ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পলিথিনের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহারের আহ্বান জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী একবার ব্যবহারযোগ্য পলিথিনের ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকার ইতোমধ্যে পাতলা পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন করেছে। এখন সেই আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রথমে মানুষকে সচেতন করে পলিথিন ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এরপরও কেউ নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার অব্যাহত রাখলে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ পলিথিন মাটি, পানি, বায়ু ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। পাশাপাশি এটি নগরীর জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। তাই পলিথিন দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগে
পরিবেশ দূষণ রোধে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট আইনের কঠোর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট পরিদর্শনকালে পলিথিনবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি মার্কেটের ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পলিথিনের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহারের আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী একবার ব্যবহারযোগ্য পলিথিনের ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকার ইতোমধ্যে পাতলা পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন করেছে। এখন সেই আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রথমে মানুষকে সচেতন করে পলিথিন ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এরপরও কেউ নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার অব্যাহত রাখলে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নিষিদ্ধ পলিথিন মাটি, পানি, বায়ু ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। পাশাপাশি এটি নগরীর জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। তাই পলিথিন দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যবসায়ী, ক্রেতা এবং সর্বস্তরের নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ পলিথিনের মজুত, বিক্রি ও সরবরাহ থেকে বিরত থাকতে হবে। এর পরিবর্তে পাট, কাপড় ও অন্যান্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে হবে। তিনি জানান, নিয়মিত বাজার পরিদর্শন, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে আইনানুগ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গত ছয় মাসে পলিথিনবিরোধী ১৬৮টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ২০৬টি মামলা দায়ের করা হয়। একই সময়ে ১৯ লাখ টাকার বেশি জরিমানা আদায় এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়েছে।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব বাজারের ব্যাগ বিতরণ করেন। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?