পাওনা টাকার জেরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে পাওনা টাকার জেরে দুই পরিবারের সংঘর্ষে মানউল্লাহ মিয়া নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। রোববার (১০ মে) দুপুরে উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পাঁচাইক্কা নামক স্থানে এ ঘঠনা ঘঠে। নিহত মানউল্লাহ মিয়া (৬০) শিবপাশা ইউনিয়নের পাঁচাইক্কার মৃত ভুইয়া মিয়ার ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত মানউল্লা মিয়ার ভাই আনতু মিয়ার কছে একই গ্রামের ইউনুস মিয়ার স্ত্রী জাহেদা বেগমের টাকা পাওনা ছিল৷ রোববার সকালে এই বিষয় নিয়ে জাহেদা বেগম ও তার সন্তানরা আনতু মিয়াকে গালি দেন।  দুপুরে হাওর থেকে ফিরে মানউল্লাহ বিষয়টি জানতে পেরে জাহেদা বেগম ও তার সন্তানদের জিজ্ঞেস করতে গেলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা বাধে ও একপর্যায়ে দুই পরিবারের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।  সংঘর্ষে মানউল্লা গুরুতর আহত হলে পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য শিরু মিয়া জানান, আমি ব্যাক্তিগত কাজে ঢাকায় রয়েছি। কিছুক্ষণ আগে বাড়িতে কল দেওয়ায় বিষয়টি জানতে পেরেছি। শিবপাশ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্

পাওনা টাকার জেরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে পাওনা টাকার জেরে দুই পরিবারের সংঘর্ষে মানউল্লাহ মিয়া নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।

রোববার (১০ মে) দুপুরে উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পাঁচাইক্কা নামক স্থানে এ ঘঠনা ঘঠে। নিহত মানউল্লাহ মিয়া (৬০) শিবপাশা ইউনিয়নের পাঁচাইক্কার মৃত ভুইয়া মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত মানউল্লা মিয়ার ভাই আনতু মিয়ার কছে একই গ্রামের ইউনুস মিয়ার স্ত্রী জাহেদা বেগমের টাকা পাওনা ছিল৷ রোববার সকালে এই বিষয় নিয়ে জাহেদা বেগম ও তার সন্তানরা আনতু মিয়াকে গালি দেন। 

দুপুরে হাওর থেকে ফিরে মানউল্লাহ বিষয়টি জানতে পেরে জাহেদা বেগম ও তার সন্তানদের জিজ্ঞেস করতে গেলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা বাধে ও একপর্যায়ে দুই পরিবারের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। 

সংঘর্ষে মানউল্লা গুরুতর আহত হলে পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শিরু মিয়া জানান, আমি ব্যাক্তিগত কাজে ঢাকায় রয়েছি। কিছুক্ষণ আগে বাড়িতে কল দেওয়ায় বিষয়টি জানতে পেরেছি।

শিবপাশ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow