পাকিস্তানকে হারিয়েও থামতে চান না শান্ত, চোখ এখন অস্ট্রেলিয়া সফরে
পাকিস্তানকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। সিলেট টেস্ট জয়ের মাধ্যমে আরও একটি ঐতিহাসিক সাফল্য যোগ হয়েছে টাইগারদের ঝুলিতে। তবে এমন অর্জনের পরও আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তার চোখ এখন সামনের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলোর দিকে, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আসন্ন সিরিজে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর শান্ত পুরো কৃতিত্ব দিয়েছেন দলের ক্রিকেটারদের। তার মতে, এই সাফল্যের পেছনে আছে পরিকল্পিত পরিবর্তন ও দীর্ঘদিনের পরিশ্রম। শান্ত বলেন, ‘কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের, তারা কঠোর পরিশ্রম করেছে। আমরা কিছু পরিবর্তন এনেছি, দল গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি। ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট দেখুন, দল গড়ে তুলতে হলে আপনাকে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। আশা করি, আমরা এভাবেই খেলে যাব।’ সিলেট টেস্টে ব্যাটার ও বোলার— দুই বিভাগেই দারুণ পারফর্ম করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে গরম আবহাওয়া ও ব্যাটিং সহায়ক উইকেটেও পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ছিল চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি নিচের সারির ব্যাটারদের অবদানও দলের সংগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ নিয়ে শান্ত বলেন, ‘কিউরেটর ও খেলোয়াড়দের সব কৃতিত্ব দিতে হবে
পাকিস্তানকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। সিলেট টেস্ট জয়ের মাধ্যমে আরও একটি ঐতিহাসিক সাফল্য যোগ হয়েছে টাইগারদের ঝুলিতে। তবে এমন অর্জনের পরও আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তার চোখ এখন সামনের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলোর দিকে, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আসন্ন সিরিজে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর শান্ত পুরো কৃতিত্ব দিয়েছেন দলের ক্রিকেটারদের। তার মতে, এই সাফল্যের পেছনে আছে পরিকল্পিত পরিবর্তন ও দীর্ঘদিনের পরিশ্রম। শান্ত বলেন, ‘কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের, তারা কঠোর পরিশ্রম করেছে। আমরা কিছু পরিবর্তন এনেছি, দল গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি। ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট দেখুন, দল গড়ে তুলতে হলে আপনাকে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। আশা করি, আমরা এভাবেই খেলে যাব।’
সিলেট টেস্টে ব্যাটার ও বোলার— দুই বিভাগেই দারুণ পারফর্ম করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে গরম আবহাওয়া ও ব্যাটিং সহায়ক উইকেটেও পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ছিল চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি নিচের সারির ব্যাটারদের অবদানও দলের সংগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এ নিয়ে শান্ত বলেন, ‘কিউরেটর ও খেলোয়াড়দের সব কৃতিত্ব দিতে হবে। আমরা দারুণ প্রস্তুতি নিয়েছি, এটা আমাকে এমন কন্ডিশনে ভালো করতে সহায়তা করেছে। ফাস্ট বোলাররা এই গরমে এবং ফ্ল্যাট উইকেটে দারুণ করেছে। এই উন্নতি আমরা সবসময় চেয়েছি। আমাদের দারুণ পার্টনারশিপ হচ্ছে। টেল এন্ডাররাও অবদান রাখছে। আমরা এসব জায়গায় উন্নতি চেয়েছিলাম, আশা করি ধরেও রাখতে পারব।’
বাংলাদেশের সামনে এখন আরও বড় পরীক্ষা বিদেশের মাটিতে। আগামী টেস্ট সিরিজ অস্ট্রেলিয়ায় খেলবে টাইগাররা। সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েও আশাবাদী অধিনায়ক।
শান্ত বলেন, ‘এখন গুরুত্বপূর্ণ হলো অ্যাওয়ে সিরিজ। আমরা গত চক্রে ভালোই করেছি বিদেশের মাটিতে। এ বছর চ্যালেঞ্জিং কিছু সফর আছে। নতুন অভিজ্ঞতা হবে। ভালো খেলতে থাকলে সেখানেও ভালো করব, ইনশাআল্লাহ।’
এসকেডি
What's Your Reaction?