পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় এখন ৫ লাখ রুপিরও বেশি
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধ, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং বিনিময় হার তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯০১ মার্কিন ডলারে। গত অর্থবছরের তুলনায় এটি ১৫০ ডলার বেশি। দেশটির পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে সেবা খাত, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ। এছাড়া শিল্প খাতে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং কৃষি খাতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের। এসময় দেশটির মোট অর্থনীতির আকার বেড়ে হয়েছে ৪৫২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, যা পাকিস্তানকে বিশ্বের ৪২তম বৃহৎ অর্থনীতির অবস্থানে নিয়ে গেছে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, গত চার বছর ধরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নীতির কারণে পাকিস্তানের শিল্প ও নির্মাণ খাত চাপের মুখে রয়েছে। উচ্চ কর, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, ঋণের উচ্চ সুদ এবং অনিশ্চিত অর্থনৈতিক নীতির কারণে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বৃহৎ শিল্প উৎপাদন খাতে ৬ দশ
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধ, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং বিনিময় হার তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯০১ মার্কিন ডলারে। গত অর্থবছরের তুলনায় এটি ১৫০ ডলার বেশি।
দেশটির পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে সেবা খাত, যেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ। এছাড়া শিল্প খাতে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং কৃষি খাতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।
এসময় দেশটির মোট অর্থনীতির আকার বেড়ে হয়েছে ৪৫২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, যা পাকিস্তানকে বিশ্বের ৪২তম বৃহৎ অর্থনীতির অবস্থানে নিয়ে গেছে।
তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, গত চার বছর ধরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নীতির কারণে পাকিস্তানের শিল্প ও নির্মাণ খাত চাপের মুখে রয়েছে। উচ্চ কর, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, ঋণের উচ্চ সুদ এবং অনিশ্চিত অর্থনৈতিক নীতির কারণে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে বৃহৎ শিল্প উৎপাদন খাতে ৬ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে উৎপাদন ১০ দশমিক ৬৩ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে নির্মাণ খাতের প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭ শতাংশে।
দেশটির পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরেও সরকার আইএমএফের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার নীতি অব্যাহত রাখবে এবং ২ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন রুপি প্রাথমিক বাজেট উদ্বৃত্ত অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।
What's Your Reaction?