পাবনায় বৃদ্ধ রিকশাচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
পাবনার বেড়া উপজেলায় ধানক্ষেত থেকে ফজলু রহমান (৫৫) নামে এক বৃদ্ধ রিকশাচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে বেড়া উপজেলার বড়শিলা গ্রামের ওই ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিতাই চন্দ্র। নিহত ফজলু রহমান (৫৫) বেড়া পৌরসভার হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আ. মান্নানের ছেলে। তিনি উপজেলার হাতিগাড়া ক্যানেল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌরসভা এলাকার বড়শিলা গ্রামে ধানখেতে বৃদ্ধ রিকশাচালক ফজলুর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। পরে পুলিশে খবর দিলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘটনাস্থলের পাশেই তার ব্যবহৃত রিকশাটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের অন্ধকারে তাকে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানার ওসি নিতাই চন্দ্র বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানান
পাবনার বেড়া উপজেলায় ধানক্ষেত থেকে ফজলু রহমান (৫৫) নামে এক বৃদ্ধ রিকশাচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে বেড়া উপজেলার বড়শিলা গ্রামের ওই ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিতাই চন্দ্র।
নিহত ফজলু রহমান (৫৫) বেড়া পৌরসভার হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আ. মান্নানের ছেলে। তিনি উপজেলার হাতিগাড়া ক্যানেল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌরসভা এলাকার বড়শিলা গ্রামে ধানখেতে বৃদ্ধ রিকশাচালক ফজলুর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। পরে পুলিশে খবর দিলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘটনাস্থলের পাশেই তার ব্যবহৃত রিকশাটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের অন্ধকারে তাকে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানার ওসি নিতাই চন্দ্র বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
আলমগীর হোসাইন/এফএ/এমএস
What's Your Reaction?