পাবনায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে স্কুল শিক্ষিকাকে হত্যা

পাবনার আটঘরিয়ায় ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে ঢুকে গীতা রানী (৪৫) নামে এক স্কুল শিক্ষিকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর তার মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকে ফেলে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের একদন্ত বারইপাড়া গ্রাম থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক। নিহত গীতা রানী ওই গ্রামের নন্দ দাসের স্ত্রী। তিনি স্থানীয় চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে। টের পেয়ে গীতা রানী বাধা দিলে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এরপর আলামত গোপন করতে মরদেহ বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়। পালিয়ে যাওয়ার আগে তারা ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। গভীর রাতে প্রতিবেশীরা ঘুমে থাকায় ঘটনাটি কেউ সঙ্গে সঙ্গে টের পাননি। আগুনও বাইরের ঘরে ছড়ায়নি। পরে বৃহস্পতিবার সকালে

পাবনায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে স্কুল শিক্ষিকাকে হত্যা

পাবনার আটঘরিয়ায় ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে ঢুকে গীতা রানী (৪৫) নামে এক স্কুল শিক্ষিকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর তার মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকে ফেলে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের একদন্ত বারইপাড়া গ্রাম থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক।

নিহত গীতা রানী ওই গ্রামের নন্দ দাসের স্ত্রী। তিনি স্থানীয় চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে। টের পেয়ে গীতা রানী বাধা দিলে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এরপর আলামত গোপন করতে মরদেহ বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়। পালিয়ে যাওয়ার আগে তারা ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। গভীর রাতে প্রতিবেশীরা ঘুমে থাকায় ঘটনাটি কেউ সঙ্গে সঙ্গে টের পাননি। আগুনও বাইরের ঘরে ছড়ায়নি।

পরে বৃহস্পতিবার সকালে গীতা রানীকে ঘরে দেখতে না পেয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

আলমগীর হোসাইন নাবিল/কেজে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow