পার্কের সামনে মিলল ৩ মাসের শিশু, মেলেনি পরিচয়

চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকার জাম্বুরি পার্ক এলাকা থেকে ৩ মাসের একটি শিশুটি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে পার্কের নিরাপত্তাকর্মীরা। পুলিশ জানায়, শিশুটিকে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দেখতে পান পার্কের নিরাপত্তাকর্মী। তখন শিশুটির পরনে ছিল একটি ডায়াপার আর নতুন একটি কাঁথা। উদ্ধারের সময় ঘুমিয়ে ছিল শিশুটি। তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি। শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিরাপত্তাকর্মী আবদুল মালেক প্রতিদিনের মতো পার্কের ফটক বন্ধ করে বের হচ্ছিলেন। ফটকে তালা দিতেই পার্কের সামনে দেখতে পান মেঝেতে পড়ে আছে তিন মাসের এক মেয়েশিশু, আশপাশে কেউ নেই। দ্রুতই তিনি কোলে তুলে নেন শিশুটিকে। পরে থানায় খবর দেন। এরপর পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির ঠান্ডাজনিত সমস্যা ছিল। বর্তমানে সে নগরের মা ও শিশু হাসপাতালের এইচডিইউতে ভর্তি আছে। শিশুটির অবস্থার এখন আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। ডবলমুরিং থানার ওসি জামাল উদ্দিন খান বলেন, আমাদের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা শিশুটিকে

পার্কের সামনে মিলল ৩ মাসের শিশু, মেলেনি পরিচয়
চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকার জাম্বুরি পার্ক এলাকা থেকে ৩ মাসের একটি শিশুটি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে পার্কের নিরাপত্তাকর্মীরা। পুলিশ জানায়, শিশুটিকে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দেখতে পান পার্কের নিরাপত্তাকর্মী। তখন শিশুটির পরনে ছিল একটি ডায়াপার আর নতুন একটি কাঁথা। উদ্ধারের সময় ঘুমিয়ে ছিল শিশুটি। তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি। শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিরাপত্তাকর্মী আবদুল মালেক প্রতিদিনের মতো পার্কের ফটক বন্ধ করে বের হচ্ছিলেন। ফটকে তালা দিতেই পার্কের সামনে দেখতে পান মেঝেতে পড়ে আছে তিন মাসের এক মেয়েশিশু, আশপাশে কেউ নেই। দ্রুতই তিনি কোলে তুলে নেন শিশুটিকে। পরে থানায় খবর দেন। এরপর পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির ঠান্ডাজনিত সমস্যা ছিল। বর্তমানে সে নগরের মা ও শিশু হাসপাতালের এইচডিইউতে ভর্তি আছে। শিশুটির অবস্থার এখন আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। ডবলমুরিং থানার ওসি জামাল উদ্দিন খান বলেন, আমাদের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। বর্তমানে শিশুটি চিকিৎসাধীন। পরিচয় জানান চেষ্টা করছে পুলিশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow