পার্লার নয়, মেনিকিউর করতে পারেন ঘরেই

ব্যস্ততার কারণে পার্লারে যাওয়ার সময় পাচ্ছেন না? আবার অনেকেই খরচ বাঁচাতে চান, কিন্তু হাতের যত্নও নিতে চান নিয়মিত। এই দুই সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে ঘরেই মেনিকিউর করা। সামান্য কিছু উপকরণ আর সঠিক পদ্ধতি জানলেই হাত থাকবে পরিষ্কার, নরম ও সুন্দর। আমাদের হাত সারাদিন নানা কাজে ব্যবহার হয়। ধুলো, ময়লা, পানি, ডিটারজেন্ট - সবকিছুর প্রভাব পড়ে সরাসরি ত্বকে। ফলে হাতের ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়, নখের চারপাশে জমে ময়লা। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার মেনিকিউর করা জরুরি। ঘরে বসেই কীভাবে করবেন মেনিকিউর - ১. নখ পরিষ্কার ও শেপ ঠিক করুনপ্রথমে নখের পুরনো নেইলপলিশ তুলে ফেলুন। এরপর নখ কাটার ও ফাইলার দিয়ে পছন্দমতো শেপ দিন। খুব বেশি ছোট বা ধারালো না রাখাই ভালো। ২. হাত ভিজিয়ে নিনএকটি বাটিতে কুসুম গরম পানি নিয়ে তাতে সামান্য শ্যাম্পু বা লিকুইড সাবান মেশান। চাইলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রসও দিতে পারেন। ৫–১০ মিনিট হাত ভিজিয়ে রাখলে ময়লা নরম হয়ে যাবে। ৩. স্ক্রাবিং করুনহাত পরিষ্কার করতে হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করুন। ঘরোয়া উপায় হিসেবে চিনি ও মধু মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে নিতে পারেন। এতে মৃত কোষ দূর হবে এবং ত্বক হবে মসৃণ। ৪. কিউটিকল যত্ননখের চারপাশ

পার্লার নয়, মেনিকিউর করতে পারেন ঘরেই

ব্যস্ততার কারণে পার্লারে যাওয়ার সময় পাচ্ছেন না? আবার অনেকেই খরচ বাঁচাতে চান, কিন্তু হাতের যত্নও নিতে চান নিয়মিত। এই দুই সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে ঘরেই মেনিকিউর করা।

সামান্য কিছু উপকরণ আর সঠিক পদ্ধতি জানলেই হাত থাকবে পরিষ্কার, নরম ও সুন্দর।

আমাদের হাত সারাদিন নানা কাজে ব্যবহার হয়। ধুলো, ময়লা, পানি, ডিটারজেন্ট - সবকিছুর প্রভাব পড়ে সরাসরি ত্বকে। ফলে হাতের ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়, নখের চারপাশে জমে ময়লা। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার মেনিকিউর করা জরুরি।

ঘরে বসেই কীভাবে করবেন মেনিকিউর -

১. নখ পরিষ্কার ও শেপ ঠিক করুন
প্রথমে নখের পুরনো নেইলপলিশ তুলে ফেলুন। এরপর নখ কাটার ও ফাইলার দিয়ে পছন্দমতো শেপ দিন। খুব বেশি ছোট বা ধারালো না রাখাই ভালো।

২. হাত ভিজিয়ে নিন
একটি বাটিতে কুসুম গরম পানি নিয়ে তাতে সামান্য শ্যাম্পু বা লিকুইড সাবান মেশান। চাইলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রসও দিতে পারেন। ৫–১০ মিনিট হাত ভিজিয়ে রাখলে ময়লা নরম হয়ে যাবে।

৩. স্ক্রাবিং করুন
হাত পরিষ্কার করতে হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করুন। ঘরোয়া উপায় হিসেবে চিনি ও মধু মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে নিতে পারেন। এতে মৃত কোষ দূর হবে এবং ত্বক হবে মসৃণ।

৪. কিউটিকল যত্ন
নখের চারপাশের শক্ত অংশ (কিউটিকল) ধীরে ধীরে পুশ করুন। কেটে ফেলবেন না, এতে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

৫. ময়েশ্চারাইজিং
সবশেষে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার বা নারকেল তেল দিয়ে হাত ম্যাসাজ করুন। এতে হাত নরম থাকবে এবং শুষ্কতা কমবে।

৬. নেইলপলিশ ব্যবহার
সবকিছু শেষে চাইলে নেইলপলিশ লাগাতে পারেন। তবে আগে বেস কোট ব্যবহার করলে নখ হলুদ হওয়ার ঝুঁকি কমে।

কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন -

মেনিকিউরের সময় খুব বেশি জোরে স্ক্রাব করবেন না। এতে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যন্ত্রপাতি পরিষ্কার রাখা জরুরি, নইলে সংক্রমণ হতে পারে। আর নখ কামড়ানোর অভ্যাস থাকলে তা পরিহার করার চেষ্টা করুন।

হাতের যত্ন নিতে সবসময় পার্লারে যেতে হবে - এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ঘরেই একটু সময় নিয়ে নিয়মিত মেনিকিউর করলে হাত থাকবে সুস্থ, পরিষ্কার ও আকর্ষণীয়।

সূত্র: মায়ো ক্লিনিক, আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব ডার্মাটোলজি

এএমপি/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow