পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের দুই গ্রাম প্লাবিত 

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লাউয়াছড়া খালের বাঁধ ভেঙে দুই গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোরের দিকে এই আকস্মিক বন্যায় উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ভানুবিল ও ছনগাঁও গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে লাউয়াছড়া খালের বাঁধটি ভেঙে যায়। বাঁধ ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে প্রবল বেগে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে।  এতে ভানুবিল ও ছনগাঁও গ্রামের নিচু এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছনগাঁও-ভানুবিল সংযোগ সড়ক, যার ফলে গ্রাম দুটির অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড়ি ঢলের পানিতে অনেক বসতবাড়ির আঙিনা তলিয়ে গেছে। পানি মাড়িয়ে গৃহস্থালি ও কৃষিকাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।  ভানুবিল গ্রামের বাসিন্দা আলী হোসেন ও ছনগাঁও গ্রামের রাধা কান্ত সিংহ জানান, কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই আকস্মিক এই বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি ও আঙিনা প্লাবিত হয়েছে, যা তাদের জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দাল হোসেন ব

পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের দুই গ্রাম প্লাবিত 

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লাউয়াছড়া খালের বাঁধ ভেঙে দুই গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোরের দিকে এই আকস্মিক বন্যায় উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ভানুবিল ও ছনগাঁও গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে লাউয়াছড়া খালের বাঁধটি ভেঙে যায়। বাঁধ ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে প্রবল বেগে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। 

এতে ভানুবিল ও ছনগাঁও গ্রামের নিচু এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছনগাঁও-ভানুবিল সংযোগ সড়ক, যার ফলে গ্রাম দুটির অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড়ি ঢলের পানিতে অনেক বসতবাড়ির আঙিনা তলিয়ে গেছে। পানি মাড়িয়ে গৃহস্থালি ও কৃষিকাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা। 

ভানুবিল গ্রামের বাসিন্দা আলী হোসেন ও ছনগাঁও গ্রামের রাধা কান্ত সিংহ জানান, কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই আকস্মিক এই বন্যায় তাদের ঘরবাড়ি ও আঙিনা প্লাবিত হয়েছে, যা তাদের জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দাল হোসেন বলেন, আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে অন্তত ৭০ থেকে ৮০টি বাড়ির আঙিনা তলিয়ে গেছে এবং গ্রামের রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি আমরা উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছি।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে আমরা এলাকার পরিস্থিতির খবর পেয়েছি। প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সরকারি সহায়তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow