পাহাড়ে পানির অভাব, পাশে দাঁড়ালো সওজ

ফাল্গুন-চৈত্র ও বৈশাখ মাসে পাহাড়ে বসবাসকারী অনেক পরিবার প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে কষ্ট করে পানি সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়। প্রতিবছর এমন সময় পাহাড়ি ঝিরি, ঝরনা ও ছড়ার পানি শুকিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে পানির তীব্র সংকটে ভোগেন পাহাড়ি গ্রামের মানুষজন। তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবে শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে ৫ হাজার লিটার সুপেয় পানি নিয়ে পাহাড়ি গ্রামে হাজির হয় রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদ্যোগে জেলার সদর উপজেলার সাপছড়ি যৌথ খামার ও ফুরোমোন এলাকায় প্রায় শতাধিক পরিবারের জন্য এই পানি সরবরাহ করা হয়। এসময় সওজের গাড়ি থেকে পানি সংগ্রহ করতে গ্রামের নারী-পুরুষদের ভিড় করতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা পানি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সাপছড়ি ফুরোমন এলাকার বাসিন্দা মনিময় চাকমা বলেন, আমাদের সারাবছরই পানির অভাবে থাকতে হয়। অনেক কষ্ট করে পাহাড়ের নিচ থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়। এখন পাহাড়ের নিচের সেই কুয়াতেও পানি নেই। এখানকার মাটিতে পাথর বেশি বলে ডিপ বা রিং টিউবওয়েল করা যায় না। আর ফাল্গুন-চৈত্র মাসে পানির খুব অভাব দেখা দেয় এখানে। ফুরোমন এলাকার বাসিন্দা সোনাবী চাকমা বলেন, পাহাড়ের ঝিরি ঝরনা সব শুকিয়ে গেছে

পাহাড়ে পানির অভাব, পাশে দাঁড়ালো সওজ

ফাল্গুন-চৈত্র ও বৈশাখ মাসে পাহাড়ে বসবাসকারী অনেক পরিবার প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে কষ্ট করে পানি সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়। প্রতিবছর এমন সময় পাহাড়ি ঝিরি, ঝরনা ও ছড়ার পানি শুকিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে পানির তীব্র সংকটে ভোগেন পাহাড়ি গ্রামের মানুষজন। তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবে শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে ৫ হাজার লিটার সুপেয় পানি নিয়ে পাহাড়ি গ্রামে হাজির হয় রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদ্যোগে জেলার সদর উপজেলার সাপছড়ি যৌথ খামার ও ফুরোমোন এলাকায় প্রায় শতাধিক পরিবারের জন্য এই পানি সরবরাহ করা হয়। এসময় সওজের গাড়ি থেকে পানি সংগ্রহ করতে গ্রামের নারী-পুরুষদের ভিড় করতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা পানি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

সাপছড়ি ফুরোমন এলাকার বাসিন্দা মনিময় চাকমা বলেন, আমাদের সারাবছরই পানির অভাবে থাকতে হয়। অনেক কষ্ট করে পাহাড়ের নিচ থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়। এখন পাহাড়ের নিচের সেই কুয়াতেও পানি নেই। এখানকার মাটিতে পাথর বেশি বলে ডিপ বা রিং টিউবওয়েল করা যায় না। আর ফাল্গুন-চৈত্র মাসে পানির খুব অভাব দেখা দেয় এখানে।

ফুরোমন এলাকার বাসিন্দা সোনাবী চাকমা বলেন, পাহাড়ের ঝিরি ঝরনা সব শুকিয়ে গেছে। কোথাও পানি নেই। পানির অভাবে আমাদের গ্রামের অনেকের রোগ-ব্যাধি বেড়ে গেছে। বাবুরা (সওজ কর্মকর্তা) আমাদের জন্য পানি নিয়ে আসছে, এতে আমাদের খুব উপকার হয়েছে। সপ্তাহে একদিন অন্তত এমন করে পানি পেলে আমাদের খুব উপকার হবে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাঙ্গামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জাগো নিউজকে বলেন, আমরা সড়কের কাজ করতে গিয়ে ফুরোমন এলাকার মানুষের পানি সংকটের কথা জানতে পারি। তারা বছরে ৩-৪ মাস পানির তীব্র সংকটে থাকে। এখানকার মাটিতে পাথর থাকায় ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করা যায় না। আমরা চেষ্টা করছি সংকটের এই সময়টাতে তাদের নিয়মিত পানি সরবরাহ করবো আমরা। এছাড়াও সড়কের পাশে আরও কোনো গ্রামে পানির সংকট থাকলে তাদের জন্যও ব্যবস্থা করা হবে।

আরমান খান/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow