পিলখানা বিদ্রোহ: জামিনে মুক্তি পেলেন ৮ সাবেক বিডিআর সদস্য

পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহ-এর ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলার আট আসামি জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-এর হাই সিকিউরিটি ইউনিটে থাকা একজন এবং কারাগারের পার্ট-২ এ থাকা আরও সাতজন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, তার কারাগার থেকে একজন এবং বাকিদের অন্য ইউনিট থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরক মামলায় অভিযুক্ত আট আসামির জামিননামা কারাগারে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটকে তাদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর জেল সুপার হালিমা খাতুন জানান, জামিনের কাগজ যাচাই শেষে শুক্রবার সকালে একজন এবং বিকেলে আরও ছয়জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানা এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফো

পিলখানা বিদ্রোহ: জামিনে মুক্তি পেলেন ৮ সাবেক বিডিআর সদস্য

পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহ-এর ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলার আট আসামি জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

শুক্রবার (১ মে) গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-এর হাই সিকিউরিটি ইউনিটে থাকা একজন এবং কারাগারের পার্ট-২ এ থাকা আরও সাতজন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, তার কারাগার থেকে একজন এবং বাকিদের অন্য ইউনিট থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরক মামলায় অভিযুক্ত আট আসামির জামিননামা কারাগারে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটকে তাদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর জেল সুপার হালিমা খাতুন জানান, জামিনের কাগজ যাচাই শেষে শুক্রবার সকালে একজন এবং বিকেলে আরও ছয়জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানা এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

হত্যা মামলার রায়ে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ৮৫০ জনের বিচার শেষে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। এছাড়া ২৭৮ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow