পুরস্কারটি দর্শকদের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি: হানিফ সংকেত

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের হাতে এই সম্মাননা পদক তুলে দেন। সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য এবার এই মর্যাদাপূর্ণ পদক পেয়েছেন নন্দিত নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেত। পুরস্কার গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন হানিফ সংকেত। আপ্লুত এই শিল্পী তার এই বিশাল অর্জনকে নিজের প্রিয় দর্শকদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। নিজের প্রতিক্রিয়ায় হানিফ সংকেত লিখেছেন, ‘এই অর্জনটা আমার একার নয়; যাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আমার এই দীর্ঘ যাত্রা সম্ভব হয়েছে, এই অর্জন তাদের সবার। আর তাই আমি পুরস্কারটি আমার প্রিয় দর্শকদের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।’ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করে যাওয়া এই ব্যক্তিত্ব জানান, কোনো অর্জনের প্রত্যাশায় তিনি কাজ করেন না। তার কথায়, ‘পুরস্কার পাওয়ার চিন্তা করে কখনও অনুষ্ঠান করিনি

পুরস্কারটি দর্শকদের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি: হানিফ সংকেত

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের হাতে এই সম্মাননা পদক তুলে দেন।

সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য এবার এই মর্যাদাপূর্ণ পদক পেয়েছেন নন্দিত নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেত। পুরস্কার গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন হানিফ সংকেত।

আপ্লুত এই শিল্পী তার এই বিশাল অর্জনকে নিজের প্রিয় দর্শকদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। নিজের প্রতিক্রিয়ায় হানিফ সংকেত লিখেছেন, ‘এই অর্জনটা আমার একার নয়; যাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আমার এই দীর্ঘ যাত্রা সম্ভব হয়েছে, এই অর্জন তাদের সবার। আর তাই আমি পুরস্কারটি আমার প্রিয় দর্শকদের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।’

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করে যাওয়া এই ব্যক্তিত্ব জানান, কোনো অর্জনের প্রত্যাশায় তিনি কাজ করেন না। তার কথায়, ‘পুরস্কার পাওয়ার চিন্তা করে কখনও অনুষ্ঠান করিনি, তাহলে এই দীর্ঘ যাত্রা সম্ভব হতো না। আমি সব সময় দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছি আমার দায়বোধ থেকে।’

নিজের কাজ ও আগামীর পরিকল্পনা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতেও আমি দায়িত্ব নিয়েই কাজ করে যাব। এই পুরস্কারটি আমাকে আগামীতে এগিয়ে যেতে আরও অনুপ্রাণিত করবে, উৎসাহিত করবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow