পুরস্কার ও স্বীকৃতি মানুষের দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয় : মাউশি মহাপরিচালক

সম্মান ও স্বীকৃতি মানুষের কর্মস্পৃহাকে আরও বাড়িয়ে দেয় এবং তাদের সমাজের প্রতি আরও বেশি দায়িত্ববান করে তোলে। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কেবল একটি পুরস্কার নয় বরং আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথে এক বড় অনুপ্রেরণা। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে এসব কথা বলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মহাপরিচালক বলেন, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্য হলো সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা কৃতিমান ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের খুঁজে বের করে তাদের যোগ্য সম্মান প্রদান করা। উপজেলা থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত দীর্ঘ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা যাদের বাছাই করেছি, তারা দেশের প্রকৃত সম্পদ। তারাই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর হবে আজকের কৃতীরা। আজকের পুরস্কৃতরাই ভবিষ্যতে দেশের শ্রেষ্ঠ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাহিত্যিক, সমালোচক ও সংগঠক হিসেবে আত্মপ্রকাশ কর

পুরস্কার ও স্বীকৃতি মানুষের দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয় : মাউশি মহাপরিচালক

সম্মান ও স্বীকৃতি মানুষের কর্মস্পৃহাকে আরও বাড়িয়ে দেয় এবং তাদের সমাজের প্রতি আরও বেশি দায়িত্ববান করে তোলে। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কেবল একটি পুরস্কার নয় বরং আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথে এক বড় অনুপ্রেরণা।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে এসব কথা বলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মহাপরিচালক বলেন, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্য হলো সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা কৃতিমান ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের খুঁজে বের করে তাদের যোগ্য সম্মান প্রদান করা। উপজেলা থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত দীর্ঘ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা যাদের বাছাই করেছি, তারা দেশের প্রকৃত সম্পদ। তারাই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর হবে আজকের কৃতীরা। আজকের পুরস্কৃতরাই ভবিষ্যতে দেশের শ্রেষ্ঠ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাহিত্যিক, সমালোচক ও সংগঠক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

তিনি বলেন, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন এই জ্ঞানীরাই শিল্প ও সাহিত্যের নানা শাখায় নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাদের সৃজনশীলতা ও মেধা দিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাবান জাতিরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা ও মান বজায় রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের বিচক্ষণ ও পারদর্শী ১২৯ জন বিচারকের সূক্ষ্ম ও চূড়ান্ত রায়ের ভিত্তিতেই এই ২৬১ জন শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগী নির্বাচিত হয়েছেন। কঠোর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করায় তিনি বিজয়ী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

সবশেষে তিনি বিজয়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আপনাদের কর্মতৎপরতা, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায় দিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে আজীবন কাজ করে যাবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের শিক্ষা পরিবারের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ। এখানে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মেধা বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই মহোৎসবে সারা দেশের মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

এ বছর ১৯টি সৃজনশীল ইভেন্ট এবং ১০টি সহপাঠ্যক্রমিক বিষয়ে কয়েক লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেন। উপজেলা, জেলা ও অঞ্চল—এই তিন ধাপ পেরিয়ে আঞ্চলিক পর্যায় থেকে ৯৮১ জন প্রতিযোগী জাতীয় পর্যায়ে লড়াই করার সুযোগ পান। চূড়ান্ত পর্যায়ে সৃজনশীলতা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে ২৬১ জন শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত হন। প্রতিযোগিতায় শুধু সাধারণ শিক্ষার্থীরাই নয়, বরং স্কাউট, রোভার, বিএনসিসি, গার্লস গাইড ও রেঞ্জারের মতো দলগত ইভেন্টেও মেধার লড়াই হয়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান, শ্রেষ্ঠ উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসারদেরও তাদের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয়ভাবে সম্মানিত করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow