পুরোনো শত্রু নরওয়ে নাকি চেনা আইভরি কোস্ট: শেষ ষোলোতে কার মুখোমুখি ব্রাজিল?

জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। ২-১ গোলের এই জয়ের পর  নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে সেলেসাওরা মুখোমুখি হবে নরওয়ে অথবা আইভরি কোস্টের মধ্যকার বিজয়ীর। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে এই দুই দলের সাথেই খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে ব্রাজিলের, যার মধ্যে একটিতে জয় ও একটিতে হারের রেকর্ড রয়েছে। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ব্রাজিলের অতীত পরিসংখ্যান বেশ ইতিবাচক। ২০১০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দল দুটি একবারই মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় ব্রাজিল। সেই ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে লুইস ফাবিয়ানো দুটি এবং এলানো একটি গোল করেছিলেন। তবে ম্যাচটি কাকার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার ঘটনার জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে। অন্যদিকে নরওয়ের বিপক্ষে লড়াইয়ে ব্রাজিলকে এক অদ্ভুত ‘অভিশপ্ত’ রেকর্ড ভাঙতে হবে। এই ইউরোপীয় দেশটির বিপক্ষে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়েও কখনো জেতেনি ব্রাজিল; তাদের রয়েছে দুটি হার ও দুটি ড্র। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেও নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল সেলেসাওরা। ব্রাজিলের হয়ে বেবেতো গোল করলেও তোরে আন্দ্রে ফ্লো এবং কেতিল রেকদালের গোলে জয় পেয়েছিল নরওয়ে। বিশ্বকাপের সেই জয় ছাড়াও ফিফার রেকর

পুরোনো শত্রু নরওয়ে নাকি চেনা আইভরি কোস্ট: শেষ ষোলোতে কার মুখোমুখি ব্রাজিল?
জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। ২-১ গোলের এই জয়ের পর  নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে সেলেসাওরা মুখোমুখি হবে নরওয়ে অথবা আইভরি কোস্টের মধ্যকার বিজয়ীর। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে এই দুই দলের সাথেই খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে ব্রাজিলের, যার মধ্যে একটিতে জয় ও একটিতে হারের রেকর্ড রয়েছে। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ব্রাজিলের অতীত পরিসংখ্যান বেশ ইতিবাচক। ২০১০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দল দুটি একবারই মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় ব্রাজিল। সেই ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে লুইস ফাবিয়ানো দুটি এবং এলানো একটি গোল করেছিলেন। তবে ম্যাচটি কাকার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার ঘটনার জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে। অন্যদিকে নরওয়ের বিপক্ষে লড়াইয়ে ব্রাজিলকে এক অদ্ভুত ‘অভিশপ্ত’ রেকর্ড ভাঙতে হবে। এই ইউরোপীয় দেশটির বিপক্ষে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়েও কখনো জেতেনি ব্রাজিল; তাদের রয়েছে দুটি হার ও দুটি ড্র। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেও নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল সেলেসাওরা। ব্রাজিলের হয়ে বেবেতো গোল করলেও তোরে আন্দ্রে ফ্লো এবং কেতিল রেকদালের গোলে জয় পেয়েছিল নরওয়ে। বিশ্বকাপের সেই জয় ছাড়াও ফিফার রেকর্ড অনুযায়ী প্রীতি ম্যাচগুলোতেও নরওয়ে আরও একটি জয় পেয়েছে এবং বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। অর্থাৎ চার লড়াইয়ের একটিতেও ব্রাজিল জয়ের মুখ দেখেনি। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হবে আগামীকাল। বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় মুখোমুখি হবে নরওয়ে ও আইভরি কোস্ট। এই ম্যাচের জয়ী দলই প্রতিপক্ষ হবে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow