পুলিশের অভিযানে ১৭ চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নেত্রকোনা সদরের মদনপুর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ জুলাই) ভোরে নেত্রকোনা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিনহাজুল হক আকিল, মোশাররফ হোসেন ও শেখ তৌফিক আমীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মদনপুর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে আব্দুছ ছালামের গোয়ালঘর থেকে সাতটি, রফিকুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে তিনটি এবং লুত মিয়ার গোয়ালঘর থেকে তিনটিসহ মোট ১৩টি গরু উদ্ধার করা হয়। এসময় আব্দুছ ছালামকে গ্রেফতার করা হয়। ছালামের বাড়ি মদনপুর পূর্বপাড়া গ্রামে। পরে গ্রেফতার ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এসআই আকামল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের আরেকটি দল একই এলাকায় অভিযান চালান। এসময় আজিজ মিয়া এবং আনিক মিয়ার গোয়ালঘর থেকে দুটি করে মোট চারটি গরু উদ্ধার করে। দুই দফার অভিযানে মোট ১৭টি গরু উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা গরুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতা
নেত্রকোনা সদরের মদনপুর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ জুলাই) ভোরে নেত্রকোনা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিনহাজুল হক আকিল, মোশাররফ হোসেন ও শেখ তৌফিক আমীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মদনপুর পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে আব্দুছ ছালামের গোয়ালঘর থেকে সাতটি, রফিকুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে তিনটি এবং লুত মিয়ার গোয়ালঘর থেকে তিনটিসহ মোট ১৩টি গরু উদ্ধার করা হয়। এসময় আব্দুছ ছালামকে গ্রেফতার করা হয়। ছালামের বাড়ি মদনপুর পূর্বপাড়া গ্রামে।
পরে গ্রেফতার ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এসআই আকামল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের আরেকটি দল একই এলাকায় অভিযান চালান। এসময় আজিজ মিয়া এবং আনিক মিয়ার গোয়ালঘর থেকে দুটি করে মোট চারটি গরু উদ্ধার করে। দুই দফার অভিযানে মোট ১৭টি গরু উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা গরুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতার আব্দুছ ছালামকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জেলা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া গরুর তথ্য সারা দেশে প্রচার করা হলে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কয়েকজন বাসিন্দা থানায় এসে সাতটি গরু নিজেদের বলে শনাক্ত করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মালিকানা যাচাই শেষে প্রকৃত মালিকদের কাছে গরুগুলো হস্তান্তর করা হবে।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, গরু চুরির ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া গরুগুলো বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। মালিকানা যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এইচ এম কামাল/কেজে/এএসএম
What's Your Reaction?