পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের দুই নেতা গ্রেপ্তার
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশ সদস্যদের মারধরের মামলায় প্রধান আসামিসহ আরও দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মামলার প্রধান আসামি পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুলমাল সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং উপজেলা জামায়াতের রোকন গোলজার রহমান (৩৪)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশসহ কয়েকজন বিবদমান একটি দোকানের বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে পলাশবাড়ী থানায় যান। এ নিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে তর্কবিতর্ক হয়। পরে জামায়াত নেতা পলাশ থানার ওসিকে শহরের কালিবাড়ী বাজারে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত বিবদমান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করতে বলেন এবং চাপ প্রয়োগ করেন। বিষয়টি ইউএনও-এসিল্যান্ডের এখতিয়ারভুক্ত, ওসি এটা বন্ধ করতে পারবেন না জানালে ওই নেতা ও তার সঙ্গীরা ওসির ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে ওসিকে মারধর করা হয়। এস
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশ সদস্যদের মারধরের মামলায় প্রধান আসামিসহ আরও দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মামলার প্রধান আসামি পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুলমাল সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং উপজেলা জামায়াতের রোকন গোলজার রহমান (৩৪)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশসহ কয়েকজন বিবদমান একটি দোকানের বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে পলাশবাড়ী থানায় যান। এ নিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে তর্কবিতর্ক হয়। পরে জামায়াত নেতা পলাশ থানার ওসিকে শহরের কালিবাড়ী বাজারে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত বিবদমান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করতে বলেন এবং চাপ প্রয়োগ করেন। বিষয়টি ইউএনও-এসিল্যান্ডের এখতিয়ারভুক্ত, ওসি এটা বন্ধ করতে পারবেন না জানালে ওই নেতা ও তার সঙ্গীরা ওসির ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে ওসিকে মারধর করা হয়। এসময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়, এতে ওসি ও এক নারী কনস্টেবলসহ পুলিশের ৯ সদস্য আহত হন।
এ ঘটনার পরদিন পলাশকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে পুলিশ। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১০- ১২ জনকে আসামি করা হয়।
গাইবান্ধা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে একই মামলায় পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের ২ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি তৌহিদুল ইসলাম কানন এবং পৌর জামায়াতের সাবেক আমির ও উপজেলা পেশাজীবী বিভাগের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।