প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়-কর্মকর্তাকে গালাগাল নেইমারের, ভিডিও ভাইরাল

কোপা দো ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আনন্দের মাঝেই বিতর্কে জড়ালেন সান্তোস তারকা নেইমার। রেমোকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করার পর স্টেডিয়ামের ভেতরে রেমো ক্লাবের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ব্রাজিলিয়ান এই সুপারস্টার। ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে যাওয়ার করিডোরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সাংবাদিক ব্রেনো রাইওলের ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নেইমার ও রেমো কর্মকর্তাদের মধ্যে চিৎকার, পাল্টাপাল্টি অপমানজনক মন্তব্য এবং উত্তেজনাপূর্ণ বাকবিনিময় চলছে। কী কারণে এই সংঘাতের সূচনা হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। ভিডিওতে নেইমারকে বারবার ‘বাদ পড়েছ, বাদ পড়েছ’ বলে রেমো শিবিরকে উদ্দেশ্য করে বিদ্রূপ করতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে অশালীন ভাষাও ব্যবহার করেন। পরিস্থিতি দ্রুত আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। Neymar não tem psicológico né?!? Acho q tá na hora de aposentar. Temos que saber a hora de parar tbm pic.twitter.com/Na3vRIE7UZ —

প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়-কর্মকর্তাকে গালাগাল নেইমারের, ভিডিও ভাইরাল

কোপা দো ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আনন্দের মাঝেই বিতর্কে জড়ালেন সান্তোস তারকা নেইমার। রেমোকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করার পর স্টেডিয়ামের ভেতরে রেমো ক্লাবের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ব্রাজিলিয়ান এই সুপারস্টার।

ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে যাওয়ার করিডোরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সাংবাদিক ব্রেনো রাইওলের ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নেইমার ও রেমো কর্মকর্তাদের মধ্যে চিৎকার, পাল্টাপাল্টি অপমানজনক মন্তব্য এবং উত্তেজনাপূর্ণ বাকবিনিময় চলছে। কী কারণে এই সংঘাতের সূচনা হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়।

ভিডিওতে নেইমারকে বারবার ‘বাদ পড়েছ, বাদ পড়েছ’ বলে রেমো শিবিরকে উদ্দেশ্য করে বিদ্রূপ করতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে অশালীন ভাষাও ব্যবহার করেন। পরিস্থিতি দ্রুত আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ভিডিওতে সান্তোসের আরেক তারকা গ্যাবিগোলকেও দেখা যায়। তিনি কিছুটা দূর থেকে পুরো ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছিলেন এবং নেইমারকে ঘিরে এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নেইমার। এরপর তিনিই দারুণ একটি অ্যাসিস্ট করে রনির জয়ের গোলটি তৈরি করে দেন। সেই একমাত্র গোলেই রেমোকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে কোপা দো ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় সান্তোস। প্রথম লেগটি ড্র হওয়ায় এই জয়েই পরের রাউন্ড নিশ্চিত করে সান্তোস।

মাঠে নেইমারের নৈপুণ্য যেমন সান্তোসকে জয় এনে দিয়েছে, তেমনি ম্যাচ শেষে তার এই আচরণ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে।

আরআর/আইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow