প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে রক্ষা পেলেন গরু ব্যবসায়ী
পঞ্চগড় থেকে গরু কিনে ঢাকায় ফেরার পথে ডাকাতের ধাওয়া, চাঁদাবাজির চেষ্টা ও ভয়াবহ হয়রানির মুখে পড়েছিলেন এক গরুর ব্যবসায়ী। শেষ পর্যন্ত পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পুলিশি নিরাপত্তায় রক্ষা পেয়েছেন তিনি।
ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী হেলাল আহমেদের বাড়ি ঢাকায়। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিনি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে গরু কিনে দুটি পিকআপ ও একটি ট্রাকে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। পথে গভীর রাতে একটি প্রাইভেটকার এবং ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তাদের গাড়ির পিছু নেয়।
ব্যবসায়ী হেলাল আহমেদ জানান, রাত আনুমানিক ২টার দিকে পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে তারা গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত পঞ্চগড় সদর থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে থানা-পুলিশের সহযোগিতা চান। পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।
তবে থানায় নেওয়ার পরও বিপত্তি কাটেনি। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ব্যবসায়ীদের চোর আখ্যা দিয়ে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে এবং বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টাও করা হয়।
এ অবস্থায় বিষয়টি জানানো হয় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ
পঞ্চগড় থেকে গরু কিনে ঢাকায় ফেরার পথে ডাকাতের ধাওয়া, চাঁদাবাজির চেষ্টা ও ভয়াবহ হয়রানির মুখে পড়েছিলেন এক গরুর ব্যবসায়ী। শেষ পর্যন্ত পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পুলিশি নিরাপত্তায় রক্ষা পেয়েছেন তিনি।
ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী হেলাল আহমেদের বাড়ি ঢাকায়। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিনি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে গরু কিনে দুটি পিকআপ ও একটি ট্রাকে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। পথে গভীর রাতে একটি প্রাইভেটকার এবং ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তাদের গাড়ির পিছু নেয়।
ব্যবসায়ী হেলাল আহমেদ জানান, রাত আনুমানিক ২টার দিকে পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে তারা গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত পঞ্চগড় সদর থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে থানা-পুলিশের সহযোগিতা চান। পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।
তবে থানায় নেওয়ার পরও বিপত্তি কাটেনি। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ব্যবসায়ীদের চোর আখ্যা দিয়ে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে এবং বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টাও করা হয়।
এ অবস্থায় বিষয়টি জানানো হয় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদকে। অভিযোগ পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পঞ্চগড় সদর থানার ওসি ও স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরে পুলিশ গরু কেনার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো অসঙ্গতি না পেয়ে গরুগুলো ছেড়ে দেয়। শুধু তাই নয়, নিরাপত্তার স্বার্থে সদর থানা-পুলিশ প্রায় চার কিলোমিটার পর্যন্ত তাদের বহরকে এগিয়ে দেয়।
গরুর বেপারী হেলাল আহমেদ বলেন, তেঁতুলিয়া থেকে গরু কিনে ফেরার পথে একদল লোক আমাদের পিছু নেয়। পরে তারা গাড়ির গতিরোধের চেষ্টা করে। আমরা বিপদ বুঝতে পেরে দ্রুত থানায় চলে যাই। এরপর একটি গোষ্ঠী আমাদের চোর আখ্যা দিয়ে মারধরের ভয়ও দেখায়। পরে পরিচিতজনদের মাধ্যমে মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে কোনো হয়রানি ছাড়াই পুলিশ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে গরুগুলো ছেড়ে দেয়।
তিনি আরও বলেন, এমপির উদারতায় আমাদের কাজটা সহজ হয়ে যায়। মধ্যস্বত্বভোগীদের হাত থেকেও রেহাই পেয়েছি।
এ বিষয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বিষয়টি জানার পর আমি ওসিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। কেউ ঝামেলা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সরকার গরুর ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আন্তরিক। স্থানীয় প্রশাসনকে সে অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।