প্রধান শিক্ষকের ভুলে স্বপ্নভঙ্গ জান্নাতির
প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার এক শিক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম জান্নাতি খাতুন। তিনি ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের জমিদারপাড়া গ্রামের জাহেদুল ইসলামের মেয়ে। অন্যান্য শিক্ষার্থীর মতো নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে নিয়ম অনুযায়ী ফরম পূরণ করেন তিনি। পুরো বছরজুড়ে মনোযোগের সঙ্গে পরীক্ষার প্রস্তুতিও নেয়। পরিবারের আশা-ভরসার কেন্দ্রবিন্দু ছিল জান্নাতি। কিন্তু হঠাৎ প্রশাসনিক ভুলে সেই স্বপ্নে নেমে এসেছে অন্ধকার। জানা গেছে, গত সোমবার প্রবেশপত্র নিতে বিদ্যালয়ে গেলে জান্নাতি দেখতে পায় তার সহপাঠীদের সবার প্রবেশপত্র এলেও তারটি আসেনি। শিক্ষার্থী মিতু জানান, অনেক স্বপ্ন ছিল এসএসসি পরীক্ষা দিবো। কিন্তু শেষ সময়ে এসে এমন ঘটনা ঘটবে কখনও কল্পনাও করিনি। এ বিষয়ে ঘড়িয়ালডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, প্রবেশপত্র দেওয়ার পরে কয়েকজন শিক্ষার্থীর অপশনাল বিষয়ে ভুল আসায় তা সংশোধনের জন্য বোর্ডে এসেছি। জান্নাতির বিষয়টি আমার ভুল হয়েছে, আমি তার বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছি। রোকনুজ্জামান মানু/এ
প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার এক শিক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম জান্নাতি খাতুন। তিনি ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের জমিদারপাড়া গ্রামের জাহেদুল ইসলামের মেয়ে। অন্যান্য শিক্ষার্থীর মতো নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে নিয়ম অনুযায়ী ফরম পূরণ করেন তিনি। পুরো বছরজুড়ে মনোযোগের সঙ্গে পরীক্ষার প্রস্তুতিও নেয়। পরিবারের আশা-ভরসার কেন্দ্রবিন্দু ছিল জান্নাতি। কিন্তু হঠাৎ প্রশাসনিক ভুলে সেই স্বপ্নে নেমে এসেছে অন্ধকার।
জানা গেছে, গত সোমবার প্রবেশপত্র নিতে বিদ্যালয়ে গেলে জান্নাতি দেখতে পায় তার সহপাঠীদের সবার প্রবেশপত্র এলেও তারটি আসেনি।
শিক্ষার্থী মিতু জানান, অনেক স্বপ্ন ছিল এসএসসি পরীক্ষা দিবো। কিন্তু শেষ সময়ে এসে এমন ঘটনা ঘটবে কখনও কল্পনাও করিনি।
এ বিষয়ে ঘড়িয়ালডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, প্রবেশপত্র দেওয়ার পরে কয়েকজন শিক্ষার্থীর অপশনাল বিষয়ে ভুল আসায় তা সংশোধনের জন্য বোর্ডে এসেছি। জান্নাতির বিষয়টি আমার ভুল হয়েছে, আমি তার বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছি।
রোকনুজ্জামান মানু/এএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?