প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় এবার মুখোমুখি হাইকমিশন-ইমিগ্রেশন বিভাগ

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ সংরক্ষণ, আইনগত সহায়তা এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মধ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট দপ্তরের প্রধান মো. হাফিজ বিন আব্দুল্লাহ বাংলাদেশ হাইকমিশনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি হাইকমিশনার এবং হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। সভায় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের, বিশেষ করে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এনফোর্সমেন্ট বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় খোলামেলাভাবে তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থ বাংলাদেশি নাগরিকদের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, বিভিন্ন ‘অপারাসি’ বা অভিযানের সময় সন্দেহভাজন ইমিগ্রেশন আইন ভঙ্গকারীদের আটকের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রটোকল অনুসরণের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আলোচনা করা হয়। এছাড়া আটক ব্যক্তিদের পাসপোর্টসহ ব্যক্তিগত মালামাল যথাযথভাবে সংরক্ষণ, আটক বাংলাদেশিদের তথ্য দ্রুত হাইকমিশনে

প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় এবার মুখোমুখি হাইকমিশন-ইমিগ্রেশন বিভাগ

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ সংরক্ষণ, আইনগত সহায়তা এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মধ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট দপ্তরের প্রধান মো. হাফিজ বিন আব্দুল্লাহ বাংলাদেশ হাইকমিশনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় তিনি হাইকমিশনার এবং হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। সভায় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের, বিশেষ করে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এনফোর্সমেন্ট বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় খোলামেলাভাবে তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থ বাংলাদেশি নাগরিকদের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, বিভিন্ন ‘অপারাসি’ বা অভিযানের সময় সন্দেহভাজন ইমিগ্রেশন আইন ভঙ্গকারীদের আটকের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রটোকল অনুসরণের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আলোচনা করা হয়।

এছাড়া আটক ব্যক্তিদের পাসপোর্টসহ ব্যক্তিগত মালামাল যথাযথভাবে সংরক্ষণ, আটক বাংলাদেশিদের তথ্য দ্রুত হাইকমিশনে প্রেরণ এবং তাদের অধিকার সুরক্ষায় হাইকমিশনের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের আহ্বান জানানো হয়।

হাইকমিশনের কর্মকর্তারা বলেন, অনেক সময় আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে বিলম্ব হওয়ায় কনস্যুলার সহায়তা প্রদান জটিল হয়ে পড়ে। এ কারণে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অন্যদিকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মানবপাচার, পাসপোর্ট জালিয়াতি, কর্মীদের হয়রানি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও দমনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতা কামনা করে।

তারা বলেন, দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকলে এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরও ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব।

সভায় উভয় পক্ষই বাংলাদেশি প্রবাসীদের কল্যাণ ও অধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি মালয়েশিয়ার প্রচলিত আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়নের বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের সমন্বয়মূলক আলোচনা অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও তারা একমত পোষণ করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাংলাদেশ হাইকমিশন ও মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের এ ধরনের নিয়মিত সংলাপ প্রবাসীদের নানা জটিলতা নিরসন এবং আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow