প্রযুক্তির আসক্তি কমাতে তিন দিনব্যাপী বইমেলা
স্মার্টফোনের যুগে নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করতে এবং সর্বস্তরের মানুষের মাঝে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বইমেলা। স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ফুলবাড়ীয়া নবধারা পাঠাগার’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মেলার আয়োজন করা হয়। ১৮ মে সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে মেলার উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন। আলহেরা একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ীয়া কলেজের অধ্যক্ষ ড. গোপাল চন্দ্র সরদার, টিঅ্যান্ডটি বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রকৌশলী জয়নাল আবেদীনসহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা। উদ্বোধনের পর অতিথিরা মেলার স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। মেলায় বইয়ের পাশাপাশি ফুলবাড়ীয়ার নিজস্ব ঐতিহ্যও দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়। আরও পড়ুনরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনে সাহিত্য আড্ডা প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন বলেন, ‘একটি বিনয়ী ও সুস্থ সমাজ তৈরি করতে হলে পাঠাগারের কোনো বিকল্প নেই। পাঠাগার ও বইপড়ার মাধ্যমে সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ এবং অপরাধ হ্রাস পাবে।’ এ সময় তিন
স্মার্টফোনের যুগে নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করতে এবং সর্বস্তরের মানুষের মাঝে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বইমেলা। স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ফুলবাড়ীয়া নবধারা পাঠাগার’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
১৮ মে সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে মেলার উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন। আলহেরা একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ীয়া কলেজের অধ্যক্ষ ড. গোপাল চন্দ্র সরদার, টিঅ্যান্ডটি বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রকৌশলী জয়নাল আবেদীনসহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা।
উদ্বোধনের পর অতিথিরা মেলার স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। মেলায় বইয়ের পাশাপাশি ফুলবাড়ীয়ার নিজস্ব ঐতিহ্যও দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন বলেন, ‘একটি বিনয়ী ও সুস্থ সমাজ তৈরি করতে হলে পাঠাগারের কোনো বিকল্প নেই। পাঠাগার ও বইপড়ার মাধ্যমে সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ এবং অপরাধ হ্রাস পাবে।’ এ সময় তিনি আয়োজকদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মফস্বল পর্যায়ে বইপ্রেমীদের এক জায়গায় মেলানোর সুযোগ বেশ সীমিত—এই তাগিদ থেকেই মেলার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মো. রাকিব শেখ এবং সাধারণ সম্পাদক এআরএম মাহবুবুল আলম। তারা জানান, বর্তমানে অতিরিক্ত প্রযুক্তি আসক্তি থেকে মানুষকে সরিয়ে এনে বইয়ের আলো ছড়িয়ে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
মেলার দ্বিতীয় দিন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল স্টলগুলো। মেলার তৃতীয় ও শেষদিনে বই কেনাবেচার পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছে কবিতা আবৃত্তি এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। মেলায় সাহিত্য, আত্মোন্নয়নমূলক বিভিন্ন সমকালীন ও চিরায়ত বই পাওয়া যায়। তরুণ লেখকদের বইয়ের সংগ্রহও চোখে পড়ার মতো।
মেলায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, এ মেলা তাদের নতুন বইয়ের সাথে পরিচিত হওয়ার দারুণ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। একটি চিন্তাশীল সমাজ গঠনে এমন ব্যতিক্রমী ও সুন্দর উদ্যোগ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা দর্শনার্থী ও বইপ্রেমীদের।
এসইউ
What's Your Reaction?