প্রাথমিকের ‘মিড ডে মিলে’ পচা-নিম্নমানের খাবার দিলেই মামলা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় পচা বা কাঁচা কলা, নিম্নমানের বানরুটি ও নষ্ট সেদ্ধ ডিম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এবার শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসম্মত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। খাবার সরবরাহে কোনো ধরনের গাফিলতি, শৈথিল্য ও অনিয়ম পাওয়া গেলে বিভাগীয় মামলা ও আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার (১৬ মে) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে পচা বনরুটি, পচা ডিম, আকারে ছোট ও পচা কলা বিতরণসহ নানা প্রকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে মানসম্মত খাদ্য সরবরাহে ঘাটতির কারণে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়াসহ কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। এক্ষেত্রে খাদ্যের মান নিশ্চিত করা জরুরি। খাদ্যের মান যাচাইয়ে দেখতে হবে যেসব বিষয় ১. খাদ্যগ্রহণ ও বিতরণের আগে সরবরাহকারী কর্তৃক সরবরাহ করা খাদ্যের মান ও পরিমাণ স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সঠিক আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে। ২. নি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় পচা বা কাঁচা কলা, নিম্নমানের বানরুটি ও নষ্ট সেদ্ধ ডিম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এবার শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসম্মত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
খাবার সরবরাহে কোনো ধরনের গাফিলতি, শৈথিল্য ও অনিয়ম পাওয়া গেলে বিভাগীয় মামলা ও আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার (১৬ মে) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে পচা বনরুটি, পচা ডিম, আকারে ছোট ও পচা কলা বিতরণসহ নানা প্রকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে মানসম্মত খাদ্য সরবরাহে ঘাটতির কারণে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়াসহ কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। এক্ষেত্রে খাদ্যের মান নিশ্চিত করা জরুরি।
খাদ্যের মান যাচাইয়ে দেখতে হবে যেসব বিষয়
১. খাদ্যগ্রহণ ও বিতরণের আগে সরবরাহকারী কর্তৃক সরবরাহ করা খাদ্যের মান ও পরিমাণ স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সঠিক আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।
২. নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে (কল অফ/কার্যাদেশ অনুযায়ী) খাদ্য গ্রহণ ও বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে।
৩. খাদ্যদ্রব্যের ধরণ অনুযায়ী বিদ্যালয় পর্যায়ে উপযুক্ত সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে খাদ্যের গুণগত মান বজায় থাকে। বিশেষ করে বনরুটি তাজা, নরম ও সঠিকভাবে মোড়কজাত কি না, পরীক্ষা করতে হবে।
৪. প্যাকেজিং অক্ষত, ছিঁড়ে যাওয়া বা আর্দ্রতা মুক্ত এবং পচন, ফাঙ্গাস বা দুর্গন্ধমুক্ত হতে হবে।
৫. প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং নেট ওজন (১২০ গ্রাম) উল্লেখ আছে কিনা তা যাচাই করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, সরবরাহ করা খাদ্য সামগ্রী যাচাই করে নিতে হবে এবং কোনোক্রমেই নিম্নমানের ও ত্রুটিপূর্ণ খাবার সরবরাহকারীদের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি, শৈথিল্য ও অনিয়ম পাওয়া গেলে বিভাগীয় মামলা ও আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে নিম্নমানের ত্রুটিপূর্ণ খাবার সরবরাহ করলে তা না নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।
এএএইচ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?