‘প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে মিড-ডে মিল পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে’

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ কোটি শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে উন্নতমানের টিফিন বা মিড-ডে মিল পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, ‘এই খাবার যাতে মানসম্মত, পুষ্টিগুণসম্পন্ন এবং দীর্ঘক্ষণ সংরক্ষিত থাকে, সেজন্য আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’ শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে ‘দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’ অডিটোরিয়ামে বায়োটেড আয়োজিত ‘ফ্রম জিনোম টু বায়োইকোনমি : ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বায়োটেকনোলজি সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মিড-ডে মিল’ নিশ্চিত করা। বর্তমানে টিফিন হিসেবে বাটার বন বা কলার মতো যেসব খাবার দেওয়া হয়, সেগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই সমস্যা সমাধানে আমাদের এমন গবেষণা ও উন্নয়ন প্রয়োজন, যাতে সাশ্রয়ী মূল্যে এবং দীর্ঘ সময় ভালো থাকে এমন খাবার তৈরি করা যায়। এতে শিশুরা সঠিক সময়ে পুষ্টিকর টিফিন পাবে এবং জাতী

‘প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে মিড-ডে মিল পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে’

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ কোটি শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে উন্নতমানের টিফিন বা মিড-ডে মিল পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, ‘এই খাবার যাতে মানসম্মত, পুষ্টিগুণসম্পন্ন এবং দীর্ঘক্ষণ সংরক্ষিত থাকে, সেজন্য আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে ‘দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’ অডিটোরিয়ামে বায়োটেড আয়োজিত ‘ফ্রম জিনোম টু বায়োইকোনমি : ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বায়োটেকনোলজি সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মিড-ডে মিল’ নিশ্চিত করা। বর্তমানে টিফিন হিসেবে বাটার বন বা কলার মতো যেসব খাবার দেওয়া হয়, সেগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই সমস্যা সমাধানে আমাদের এমন গবেষণা ও উন্নয়ন প্রয়োজন, যাতে সাশ্রয়ী মূল্যে এবং দীর্ঘ সময় ভালো থাকে এমন খাবার তৈরি করা যায়। এতে শিশুরা সঠিক সময়ে পুষ্টিকর টিফিন পাবে এবং জাতীয় অপচয় রোধ হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় বড় ডিগ্রি থাকলেও ব্যবহারিক প্রয়োগে ঘাটতি রয়েছে। তাই পাঠ্যক্রম বা কারিকুলাম এমনভাবে সংস্কার করতে হবে যাতে ইয়াং জেনারেশন ট্রান্সফারেবল ও টেকনিক্যাল স্কিল অর্জন করতে পারে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশুর ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেও আমাদের স্বনির্ভর হতে হবে। আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় ইকোসিস্টেম তৈরি করতে পারলে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও ক্যানসার গবেষণায় বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। এ ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভোজ্যতেল ও চিনির মতো পণ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনে বিটরুট ও সরিষার ফলন বাড়াতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’

বিদেশে থাকা দেশের মেধাবীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা চাই ‘ব্রেন ড্রেন’ বন্ধ করে এটিকে ‘ব্রেন সার্কুলেশনে’ রূপান্তর করতে। প্রবাসে থাকা দক্ষ গবেষক ও একাডেমিকদের জয়ন্ত রিসার্চ ও শর্ট কোর্সের মাধ্যমে দেশের গবেষণা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow