প্রেমিকের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল তরুণীর
মাদারীপুরের কালকিনিতে কথিত প্রেমিকের ডাকে দেখা করতে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হওয়া তরুণী প্রিয়া আক্তার (২০) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত প্রিয়া আক্তার কালকিনি উপজেলার পশ্চিম শিকারমঙ্গল গ্রামের সাইদ বেপারীর মেয়ে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় ঈদ শপিংয়ের কথা বলে প্রিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় তার কথিত প্রেমিক বায়েজিদ। পরে উপজেলার ভুরঘাটা এলাকায় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বায়েজিদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রিয়ার গলায় আঘাত করে। এতে তার গলার বড় একটি অংশ কেটে যায় এবং তিনি মারাত্মকভাবে জখম হন। ঘটনার পর অভিযুক্ত বায়েজিদ তার খালা তমাকে সঙ্গে নিয়ে আহত প্রিয়াকে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে কৌশলে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় তারা প্রিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যান। খবর পেয়ে স্বজনরা প্রিয়াকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে মঙ্গলবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই নৃশংস হত্যাক
মাদারীপুরের কালকিনিতে কথিত প্রেমিকের ডাকে দেখা করতে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হওয়া তরুণী প্রিয়া আক্তার (২০) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত প্রিয়া আক্তার কালকিনি উপজেলার পশ্চিম শিকারমঙ্গল গ্রামের সাইদ বেপারীর মেয়ে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় ঈদ শপিংয়ের কথা বলে প্রিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় তার কথিত প্রেমিক বায়েজিদ। পরে উপজেলার ভুরঘাটা এলাকায় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বায়েজিদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রিয়ার গলায় আঘাত করে। এতে তার গলার বড় একটি অংশ কেটে যায় এবং তিনি মারাত্মকভাবে জখম হন।
ঘটনার পর অভিযুক্ত বায়েজিদ তার খালা তমাকে সঙ্গে নিয়ে আহত প্রিয়াকে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে কৌশলে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় তারা প্রিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যান। খবর পেয়ে স্বজনরা প্রিয়াকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে মঙ্গলবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত বায়েজিদ ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহতের পরিবার।
এ বিষয়ে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানান, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত মামলা রুজু করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বায়েজিদ পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?