ফাহিম গণহত্যার পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান নিয়েছিলেন : রিফাত রশিদ
ইউটিউবার আর এস ফাহিম গণহত্যার পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান নিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক রিফাত রশিদ। তিনি বলেছেন, ‘গণহত্যাকারীর যে শাস্তির কার্যবিধি গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তির ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে।’
রোববার (২৯ মার্চ) আর এস ফাহিমের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রিফাত রশিদ বলেন, ‘মোহাম্মদপুরের কাউন্সিলর রাজিবের একান্ত ব্যক্তিগত দোসর ছিল আর এস ফাহিম। তার মুক্তি এবং কোনো প্রকার মামলা না করে আর এস ফাহিমের পরিবারের সঙ্গে বসে অর্থের বিনিময়ে সমঝোতার প্রস্থাব এসেছে সরকারদল ও বিভিন্ন প্রভাবশালী মহল থেকে।’
তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি, পুরো বাংলাদেশে নতুন করে আরেকবার ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের ‘মাস্টারপ্ল্যান’ হাতে নেওয়া হয়েছে। এই ‘মাস্টারপ্ল্যানে’ ফ্যাসিবাদী সকলেই জড়িত। ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনে তারা বিদেশে বসে দেশে টাকা পাঠাচ্ছে এবং ক্ষমতাশীলদের বিভিন্ন অফার দিচ্ছে। এবং স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে তারা একটি নীল নকশা তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সুস্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই, বাংলাদেশে আর স্বৈরাচার শেখ হাসিনার জায়গা হবে না। শ
ইউটিউবার আর এস ফাহিম গণহত্যার পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান নিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক রিফাত রশিদ। তিনি বলেছেন, ‘গণহত্যাকারীর যে শাস্তির কার্যবিধি গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তির ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে।’
রোববার (২৯ মার্চ) আর এস ফাহিমের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রিফাত রশিদ বলেন, ‘মোহাম্মদপুরের কাউন্সিলর রাজিবের একান্ত ব্যক্তিগত দোসর ছিল আর এস ফাহিম। তার মুক্তি এবং কোনো প্রকার মামলা না করে আর এস ফাহিমের পরিবারের সঙ্গে বসে অর্থের বিনিময়ে সমঝোতার প্রস্থাব এসেছে সরকারদল ও বিভিন্ন প্রভাবশালী মহল থেকে।’
তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি, পুরো বাংলাদেশে নতুন করে আরেকবার ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের ‘মাস্টারপ্ল্যান’ হাতে নেওয়া হয়েছে। এই ‘মাস্টারপ্ল্যানে’ ফ্যাসিবাদী সকলেই জড়িত। ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনে তারা বিদেশে বসে দেশে টাকা পাঠাচ্ছে এবং ক্ষমতাশীলদের বিভিন্ন অফার দিচ্ছে। এবং স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে তারা একটি নীল নকশা তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সুস্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই, বাংলাদেশে আর স্বৈরাচার শেখ হাসিনার জায়গা হবে না। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের অধ্যায় শেষ, বাংলাদেশকে এর পরের থেকে চিন্তা করতে হবে।’
উল্লেখ্য, ফাহিমের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে গত সপ্তাহে সংবাদ সম্মেলন করেছিল ‘মঞ্চ–২৪’ নামের একটি সংগঠন। এছাড়াও জুলাই আন্দোলনে আদাবর–মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং নিয়ে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সঙ্গে মিশে আর এস ফাহিম শুধু আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেয়নি; বরং অভিযোগ আছে, বিপ্লবীদের লাশ নিয়েও উপহাস করেছে, এক ধরনের পৈশাচিক নীরব আনন্দ প্রকাশ করেছে।
রোববার রাজধানীর শাহ আলী থানা এলাকা থেকে ইউটিউবার আর এস ফাহিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোস্তাক সরকার।
পুলিশের একটি সূত্র বলছে, ফাহিমের সঙ্গে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সখ্য ছিল। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের (মোহাম্মদপুর এলাকা) সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবের ঘনিষ্ঠ ছিলেন ফাহিম।